ইসরায়েলের বসতি নির্মাণের নিন্দা মালয়েশিয়া ও পশ্চিমা দেশের
অধিকৃত পশ্চিম তীরে নতুন বসতি নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ইসরায়েল। ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে মালয়েশিয়া ও বেশ কয়েকটি পশ্চিমা দেশ।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে নতুন বসতি নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ইসরায়েল। বিতর্কিত ই১ বসতি প্রকল্পের আওতায় নতুন আবাসিক ইউনিট নির্মাণের জন্য সম্প্রতি দরপত্র আহ্বান করেছে ইসরায়েল। ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই পদক্ষেপে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়।
ইসরায়েলের এই নতুন বসতি নির্মাণ পরিকল্পনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। ফিলিস্তিনি ভূমিতে ইসরায়েলের এমন আগ্রাসী ও বিতর্কিত পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তিনি জোরালো অবস্থান ব্যক্ত করেন। আন্তর্জাতিক নিয়মকে তোয়াক্কা না করে ইসরায়েলের এই একের পর এক বসতি স্থাপনের বিষয়টি বিশ্বজুড়ে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
মালয়েশিয়ার পাশাপাশি পশ্চিমা দেশগুলোও ইসরায়েলের এই পরিকল্পনার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি ও কানাডা এক যৌথ বিবৃতিতে ইসরায়েলের এই নতুন বসতি নির্মাণের পরিকল্পনাকে প্রত্যাখ্যান করেছে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলো যৌথভাবে এই পরিকল্পনাকে 'অগ্রহণযোগ্য' বলে উল্লেখ করেছে।
উক্ত যৌথ বিবৃতিতে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি ও কানাডা অবিলম্বে ইসরায়েলকে তাদের এই বসতি নির্মাণের পরিকল্পনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে। তাদের মতে, পশ্চিম তীরে এই ধরনের নতুন বসতি স্থাপন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে আরও জটিল করে তুলবে এবং সংঘাতের মাত্রা বাড়িয়ে দেবে।
উল্লেখ্য, বিতর্কিত ই১ বসতি প্রকল্পের আওতায় পশ্চিম তীরে ১ হাজার ২০০টি (১,২০০টি) নতুন আবাসিক ইউনিট নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ নতুন ইউনিট নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করার পরই মালয়েশিয়া ও পশ্চিমা দেশগুলোর পক্ষ থেকে এই যৌথ নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে।
ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের এমন বসতি সম্প্রসারণের নীতি আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলে দীর্ঘদিন ধরে সমালোচিত হয়ে আসছে। বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী, ১ হাজার ২০০টি (১,২০০টি) নতুন আবাসিক ইউনিট নির্মাণের এই দরপত্র আহ্বান করার পর সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে এবং বিশ্বনেতারা অবিলম্বে এই তৎপরতা বন্ধের তাগিদ দিচ্ছেন।








