মূল কনটেন্টে যান
ব্রেকিং
মেট্রোরেল চলাচল সাময়িক বন্ধের পর পুনরায় চালুর খবরদুর্গাপূজায় ল্যাভেন্ডার শাড়িতে জয়া আহসানের নতুন লুক প্রকাশভারতের বিপক্ষে আফগানিস্তানের ১৬০ রানের লক্ষ্য, নবির লড়াকু ইনিংসসিরাজগঞ্জে বেশি দামে ডিম বিক্রির দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানাবিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসেমেট্রোরেল চলাচল সাময়িক বন্ধের পর পুনরায় চালুর খবরদুর্গাপূজায় ল্যাভেন্ডার শাড়িতে জয়া আহসানের নতুন লুক প্রকাশভারতের বিপক্ষে আফগানিস্তানের ১৬০ রানের লক্ষ্য, নবির লড়াকু ইনিংসসিরাজগঞ্জে বেশি দামে ডিম বিক্রির দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানাবিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
BDRevise24 — Trusted & Targeted News

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — HEADER

পশুপাখির প্রতি মহানবী (সা.)-এর মানবিক আচরণের অনন্য শিক্ষা

মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) সব সময় পশুপাখির প্রতি দয়া, অনুগ্রহ প্রদর্শন ও যত্নশীল হওয়ার শিক্ষা দিয়েছেন। ইসলামে নির্বাক প্রাণীর অধিকার রক্ষা এবং তাদের প্রতি সদয় আচরণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

বিডিরিভাইস২৪ ডেস্ক

প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· মিনিট পড়া

পশুপাখির প্রতি মহানবী (সা.)-এর মানবিক আচরণের অনন্য শিক্ষা
ছবি: বিডিরিভাইস২৪

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — ARTICLE_TOP

ইসলাম ধর্মে মানবতার পাশাপাশি পশুপাখির প্রতিও দয়া, অনুগ্রহ প্রদর্শন ও যত্নশীল হওয়ার বহুমুখী শিক্ষা রয়েছে। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) তাঁর জীবদ্দশায় ও বাণীর মাধ্যমে নির্বাক প্রাণীদের অধিকার এবং তাদের সঙ্গে মানবিক আচরণের অনুপম দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন। ইসলামি বিধান ও হাদিসের বর্ণনায় পশুপাখির প্রতি মানুষের দায়িত্ব ও কর্তব্যের বিষয়টি অত্যন্ত স্পষ্ট করে তুলে ধরা হয়েছে।

প্রাণীদের প্রতি দয়া প্রদর্শনের তাগিদ দিয়ে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, এসব নির্বাক প্রাণীর ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করো। এদেরকে দানাপানি দিয়ে সুস্থ সবল রাখ ও সুস্থ সবল পশুর পিঠে আরোহণ কর এবং খাওয়ার সময়ও সুস্থ সবল প্রাণীর গোশত খাও। এই নির্দেশনার মাধ্যমে গৃহপালিত ও কাজের প্রাণীদের নিয়মিত খাবার ও পানির ব্যবস্থা করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

প্রাণীর গায়ে আঘাত বা অবহেলার বিষয়ে কঠোর সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছেন মহানবী (সা.)। আবু দাউদ ও আল-আদাবুল মুফরাদ সূত্রে বর্ণিত একটি দুর্বল উট, মুখে দাগ দেওয়া পশু ও ক্ষুধার্ত উটের ঘটনা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। একবার একটি পশুর মুখে দাগ দেওয়া দেখে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যে ব্যক্তি এমন কাজ করে, আল্লাহ তাকে অভিশাপ দেন। কারও মুখে দাগ দেওয়া বা মুখে আঘাত করা উচিত নয়।

অন্য একটি ঘটনায় একটি ক্ষুধার্ত ও ক্লান্ত উট দেখে মহানবী (সা.) এর মালিককে উদ্দেশ করে অত্যন্ত জোরালো ভাষায় বলেন, আল্লাহ তোমার অধীনে যে প্রাণীটি দিয়েছেন, তার ব্যাপারে তুমি কি আল্লাহকে ভয় করো না? এটি আমার কাছে অভিযোগ করেছে যে, তুমি তাকে ক্ষুধার্ত রাখো এবং তার ওপর অতিরিক্ত বোঝা চাপিয়ে দাও, ফলে সে ক্লান্ত হয়ে পড়ে। এই ঘটনা থেকে বোঝা যায়, পশুর ওপর অতিরিক্ত বোঝা চাপানো এবং তাদের খাদ্যবঞ্চিত করা গুরুতর অপরাধ।

পাখি ও বন্যপ্রাণীর প্রতিও মহানবী (সা.)-এর কোমল হৃদয় ও সংবেদনশীলতার প্রমাণ পাওয়া যায় বিভিন্ন ঘটনায়। একবার এক ব্যক্তি পাখির ছানা ধরে আনলে মা পাখিটি অস্থির হয়ে ওড়াওড়ি করতে থাকে। তা দেখে নবীজি ব্যাকুল হয়ে সাহাবিদের উদ্দেশ্যে বলেন, কে এই পাখিটিকে তার ছানাদের কারণে কষ্ট দিয়েছে? ছানাগুলো তার কাছে ফিরিয়ে দাও।

ক্ষুদ্রতম সৃষ্টির প্রতিও নিষ্ঠুরতা প্রদর্শন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পিপড়ার ঢিবি আগুন দিয়ে পোড়ানোর একটি ঘটনায় মহানবী (সা.) কঠোর অবস্থান নিয়ে বলেন, আগুন দিয়ে শাস্তি দেওয়ার অধিকার শুধু আগুনের রবের। এটি ছাড়াও তিনি পশুপাখির সার্বিক সুরক্ষায় আরও কিছু বিধান দিয়েছেন। যেমন—তিনি ঘোষণা করেছেন যে, জোরপূর্বক দখল করা সম্পদ বৈধ নয়। দাঁতওয়ালা হিংস্র প্রাণীর মাংসও বৈধ নয়। আর কোনো প্রাণীকে লক্ষ্যবস্তু বানানোও বৈধ নয়।

সর্বোপরি, প্রাণীর জীবনাবসানের ক্ষেত্রেও পরম মানবিকতা ও ইহসানের শিক্ষা দিয়েছে ইসলাম। এ বিষয়ে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) ইরশাদ করেছেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ সবকিছুর ক্ষেত্রে ইহসান বা উত্তম আচরণ নির্ধারণ করেছেন। তাই যখন তোমরা হত্যা করবে, উত্তম পদ্ধতিতে হত্যা করবে। আর যখন জবাই করবে, উত্তম পদ্ধতিতে জবাই করবে। তোমাদের প্রত্যেকে যেন তার ছুরি ধারালো করে নেয় এবং পশুটিকে কষ্ট থেকে স্বস্তি দেয়। এসব দিকনির্দেশনা প্রমাণ করে যে ইসলামে পশুপাখির কল্যাণ ও অধিকার সুরক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — IN_ARTICLE

খবরটি পড়ে আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

সব দেখুন
মালদ্বীপে ইসলামি সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার গভীর প্রভাবব্রেকিং
ধর্ম

মালদ্বীপে ইসলামি সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার গভীর প্রভাব

মালদ্বীপের পর্যটনকেন্দ্রিক রিসোর্ট এলাকার বাইরে স্থানীয় দ্বীপগুলোতে ইসলামি সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার গভীর প্রভাব রয়েছে। রাজধানী মালে শহরে ৩০টিরও বেশি মসজিদ রয়েছে এবং এখানে ১৬৫৮ সালে নির্মিত ঐতিহাসিক হুকুরু মিস্কি অবস্থিত। ইউনেসকোর ঐতিহাসিক বিবরণে মালদ্বীপে ইসলাম গ্রহণের সময়কাল ১১৫৩ খ্রিস্টাব্দ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

১ মিনিট পড়া
পিতামাতার আর্থিক অসদাচরণ ও প্রতারণায় ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি
ধর্ম

পিতামাতার আর্থিক অসদাচরণ ও প্রতারণায় ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি

ইসলামে পিতামাতার প্রতি সর্বোচ্চ সদাচরণের নির্দেশ দেওয়া হলেও তাদের অনৈতিক বা প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড মেনে নেওয়ার সুযোগ নেই। শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, সন্তানের সম্পদে অন্যায়ভাবে দেনা তৈরি করা সম্পূর্ণ হারাম।

১ মিনিট পড়া
তুরস্কের মারদিনে ইসলাম গ্রহণ করলেন শেভন নামের পর্যটক
ধর্ম

তুরস্কের মারদিনে ইসলাম গ্রহণ করলেন শেভন নামের পর্যটক

তুরস্কের মারদিন প্রদেশের আরতুকলু জেলা মুফতির কার্যালয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন শেভন নামের এক পর্যটক। ধর্ম গ্রহণের পর তিনি নিজের নাম পরিবর্তন করে আবদুল্লাহ রাখেন।

১ মিনিট পড়া
ওহুদের ময়দানে শহীদ হজরত হানজালা ইবনে আবি আমির (রা.)
ধর্ম

ওহুদের ময়দানে শহীদ হজরত হানজালা ইবনে আবি আমির (রা.)

ওহুদ যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ লড়াইয়ে শহীদ হন হজরত হানজালা ইবনে আবি আমির (রা.)। অপবিত্র অবস্থায় গোসল না করেই রণক্ষেত্রে যোগ দেওয়ায় ফেরেশতারা তাকে গোসল করিয়েছিলেন বলে জানান মহানবী (সা.)। এই অলৌকিক ঘটনার কারণে তিনি 'গাসিলুল মালাইকা' বা ফেরেশতা কর্তৃক গোসলপ্রাপ্ত হিসেবে পরিচিত লাভ করেন।

১ মিনিট পড়া

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — FOOTER