পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সার্কের বিদায়ী মহাসচিবের সাক্ষাৎ
১৭ আগস্ট পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সার্কের বিদায়ী মহাসচিব গোলাম সারওয়ার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে চায় বলে জানানো হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

১৭ আগস্ট রাজধানী ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সার্কের বিদায়ী মহাসচিব রাষ্ট্রদূত গোলাম সারওয়ার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক কূটনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকা গোলাম সারওয়ারের মেয়াদকাল শেষে এই বিদায়ী সাক্ষাৎটি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
সাক্ষাৎকালে আঞ্চলিক সংস্থা সার্কের সার্বিক কার্যক্রম এবং এর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় বিদায়ী মহাসচিব গোলাম সারওয়ার বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে জানান যে, সার্কের নিয়মিত কার্যক্রম বর্তমানেও অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তায় সংস্থাটির বিভিন্ন কর্মসূচিও সফলভাবে চলমান রয়েছে বলে তিনি প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করেন।
আলোচনার একপর্যায়ে গোলাম সারওয়ার একটি নতুন প্রকাশনার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি জানান যে, আগামী ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ সার্ক ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট প্রকাশিত হতে পারে বলে তারা জোরালো প্রত্যাশা করছেন। এই প্রতিবেদনটি দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক উন্নয়ন ও অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আঞ্চলিক জোটটিকে আরও কার্যকর করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় জানান যে, আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ আরও বেশি সক্রিয় ভূমিকা রাখতে চায়। দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই মনোভাব দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থাকে এগিয়ে নিতে বাংলাদেশের দৃঢ় অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ।
বৈঠকে বিদায়ী মহাসচিবের কাজের প্রশংসাও করা হয়। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন যে, গোলাম সারওয়ারের কার্যকালে সার্কের কার্যক্রমে যে গতিশীলতা এসেছে, তা ভবিষ্যতেও একইভাবে অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা করেন। তার মেয়াদের এই ইতিবাচক অর্জনগুলো আঞ্চলিক কূটনীতিতে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
সর্বোপরি, এই সাক্ষাতের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ যে সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার অঙ্গীকার করে আসছে, তারই সুদৃঢ় পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে বাংলাদেশের এই সদিচ্ছা আঞ্চলিক রাজনীতিতে একটি ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দিয়েছে।








