পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে বাস উল্টে দুর্ঘটনা
গতকাল সোমবার মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তের ঢালে নিউ গ্রীন লাইন এক্সপ্রেসের একটি যাত্রীবাহী বাস উল্টে যায়। এই ঘটনায় বাস ও সেতুর রেলিং ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং বেশ কয়েকজন যাত্রী আহত হন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

গতকাল সোমবার মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তের ঢালে নিউ গ্রীন লাইন এক্সপ্রেসের একটি যাত্রীবাহী বাস উল্টে যাওয়ার দুর্ঘটনা ঘটেছে। মাগুরা থেকে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল বাসটি।
প্রথম আলো, ফায়ার সার্ভিস, শ্রীনগর ফায়ার স্টেশন, শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পদ্মা উত্তর থানা এবং চ্যানেল ২৪ সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, এই দুর্ঘটনায় বাসটি উল্টে যাওয়ার পাশাপাশি সেতুর রেলিং ও বাসের সামনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
দুর্ঘটনার বিষয়ে আবু সায়াদ জানান, গতকাল সোমবার দুর্ঘটনার সময় বাসটি সেতুর পূর্ব ও পশ্চিম পাশের রেলিংয়ে ধাক্কা দেয়। এতে পশ্চিম পাশে তেমন কোনো ক্ষতি হয়নি। তবে পূর্ব পাশের রেলিংয়ের ব্যারিয়ারের ওপরের প্রায় ৫০ মিটার অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেতুর সড়কে কিছু দাগ পড়েছে, সেটি তেমন গুরুতর নয়। তবে বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে বাসের যাত্রী ও সেতুর অবকাঠামো। তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িটি থানায় হস্তান্তরের পর আইনগত ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তের ঢালে ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় সেতুর পূর্ব পাশের রেলিংয়ের প্রায় ৫০ মিটার অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই রেলিং মেরামতে ছয় থেকে সাত দিন সময় লাগতে পারে এবং এতে ব্যয় হতে পারে দেড় লাখ থেকে দুই লাখ টাকা।
দুর্ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিস ও শ্রীনগর ফায়ার স্টেশন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করে। প্রথম আলোর তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনায় আটজন আহত যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। অন্যদিকে চ্যানেল ২৪-এর তথ্যানুযায়ী, অন্তত ১০ যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। ফায়ার সার্ভিস আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
এই দুর্ঘটনার কারণে কিছু সময়ের জন্য বিঘ্ন ঘটে। তথ্যানুযায়ী, ৮ থেকে ১০ মিনিট সেতুর ওপর যান চলাচল বন্ধ ছিল। দুর্ঘটনা কবলিত বাসটি বর্তমানে পদ্মা উত্তর থানায় আছে।
উল্লেখ্য, পদ্মা সেতু সম্পর্কিত অন্যান্য তথ্যের মধ্যে রয়েছে যে সেতুটিতে প্রায় ৪০০ মিটার পরপর ১৬টি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন ক্যামেরা আছে। সেতুতে যানবাহনের সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার নির্ধারণ করা থাকলেও, দুর্ঘটনার সময় সেতুর ওপর থাকা যানবাহনগুলোর গতি ঘণ্টায় ১২০ থেকে ১৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত ছিল।








