নেপাল ও চীনে ভয়ংকর দুর্যোগে নিহত বেড়ে ৯০০, নিখোঁজ প্রায় ৪,৭৯৩
নেপাল ও চীনে ভয়াবহ বন্যা ও দুর্যোগে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯০০ জনে দাঁড়িয়েছে। দুই দেশ মিলিয়ে নিখোঁজ রয়েছেন চার হাজার ৭৯৩ জন। দুর্গম এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ায় উদ্ধারকাজে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে নেপাল ও চীনে আঘাত হেনেছে ভয়াবহ দুর্যোগ ও বন্যা। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের জেরে দুই দেশে হতাহতের সংখ্যা হু হু করে বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, উদ্ধারকারীরাও অনেক এলাকায় প্রবেশ করতে পারছেন না।
এএফপি ও কাঠমান্ডু পোস্টের তথ্যানুযায়ী, চলমান এই দুর্যোগের পর দুই দেশ মিলিয়ে নিখোঁজের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে চার হাজার ৭৯৩ জনে। এর পাশাপাশি, প্রাণহানির সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৯০০ জনে পৌঁছেছে।
দুর্যোগের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলোতে যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে বিধ্বস্ত হয়েছে। পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ, তা তুলে ধরে ই. হাওয়াদি বলেন, 'অনেক চ্যালেঞ্জ দেখা দিয়েছে। কোনো সড়ক নেই, সব ধুয়েমুছে গেছে এবং অনেক এলাকায় প্রবেশের কোনো পথ খোলা নেই।'
এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কবলে পড়ে সাধারণ মানুষ চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন। নিখোঁজ স্বজনদের খোঁজে মানুষ হাহাকার করছেন। ত্রিশূলী-১ হাইড্রোপাওয়ার প্রকল্পে কাজ করছিলেন রাম বুধার ভাই প্রবীণ। প্রবীণকে নিয়ে চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন রাম বুধা।
ভাইয়ের নিখোঁজ থাকার বেদনা ও সুড়ঙ্গের ভেতরের অনিশ্চিত পরিস্থিতি নিয়ে রাম বুধা বলেন, 'আমি সেখানে দাঁড়িয়ে ভাইয়ের নাম ধরে চিৎকার করেছি; ভেবেছি, সে হয়তো সাড়া দেবে। কিছুক্ষণ অপেক্ষাও করেছি; কিন্তু কোনো উত্তর আসেনি। আমার কোনো ধারণাই নেই সুড়ঙ্গের ভেতরে কী পরিস্থিতি!'
এদিকে দুর্যোগকবলিত অঞ্চলগুলোতে সারিতা চৌথুরী ও সুনীলসহ অন্যান্যদের মাঝেও তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে। দুর্গত এলাকায় জরুরি ত্রাণ এবং উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করার চেষ্টা চলছে, তবে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় উদ্ধারকর্মীরা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন।








