নেপালে প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও বাংলাদেশে পাহাড় ধসঝুঁকি
নেপালে সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে মারাত্মক মানবিক সংকট ও অর্থনৈতিক ক্ষতি দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশেও পাহাড়ি অঞ্চলে ভূমিধসের ঝুঁকি নিয়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

৩০ আগস্ট ২০২৫ তারিখে নেপালে সংঘটিত এক প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে দেশটিতে তীব্র মানবিক সংকট এবং অর্থনীতিতে বড় ধরণের প্রভাব পড়েছে। এই আকস্মিক দুর্যোগের ফলে নেপালের সামগ্রিক জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এবং এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে দেশটির অর্থনীতিতেও।
নেপালের বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং ধ্বংস হয়ে যাওয়া অবকাঠামো পুনর্নির্মাণের ক্ষেত্রে বিশাল অংকের আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। এই বিষয়ে নেপালের অর্থমন্ত্রী স্বর্ণিম ওয়াগ্লে গণমাধ্যমকে বিস্তারিত তথ্য জানিয়েছেন।
গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে নেপালের অর্থমন্ত্রী স্বর্ণিম ওয়াগ্লে জানান যে, দেশের বর্তমান ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পুনর্নির্মাণকাজে ৪ থেকে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের মতো বিশাল অঙ্কের অর্থ প্রয়োজন হতে পারে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, প্রয়োজনীয় এই আনুমানিক আর্থিক পরিমাণ দেশটির মোট অর্থনীতির প্রায় দশ শতাংশের সমান। এত বড় অংকের অর্থের সংস্থান করা দেশটির যুদ্ধবিধ্বস্ত বা দুর্যোগপীড়িত অর্থনীতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নেপালের এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি বাংলাদেশেও পাহাড়ি অঞ্চলগুলোতে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে অতীতে ঘটে যাওয়া বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনাগুলো এখন নতুন করে স্মরণ করা হচ্ছে।
ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, ২০০৭ সালে বাংলাদেশের বন্দরনগরী চটগ্রামে একটি অত্যন্ত ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছিল। সেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় পাহাড়ি ঢল ও মাটির নিচে চাপা পড়ে ১২৮ জন মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল।
বর্তমানে নেপালের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলের অতীত দুর্যোগের কথা মাথায় রেখে পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের তাগিদ দিচ্ছেন। বিশেষ করে ড. হারুন রশীদসহ সংশ্লিষ্ট মহল এই ধরনের প্রাকৃতিক ঝুঁকি মোকাবিলায় পূর্বপ্রস্তুতির ওপর জোর দিচ্ছেন।








