নারায়ণগঞ্জে আদালতে হত্যা মামলার আসামিকে মারধর ও হেনস্তা
রোববার নারায়ণগঞ্জে ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা বুলবুল হত্যা মামলার প্রধান আসামি শেখ সিফাতকে আদালতে তোলার সময় মারধর ও হেনস্তা করা হয়েছে। এ ঘটনায় অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নুরুল হুদা চৌধুরী ১১ আসামির রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা বুলবুল হত্যা মামলার প্রধান আসামি শেখ সিফাতকে আদালতে তোলার সময় মারধর ও হেনস্তার ঘটনা ঘটেছে। রোববার নারায়ণগঞ্জের আদালতে এই ঘটনা ঘটে। এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় এবং আসামিকে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়।
এই হত্যা মামলার ঘটনায় মোট ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার তাদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য আদালতে হাজির করা হয়। মামলার শুনানির পর আদালত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে রিমান্ডের আদেশ দেন। অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নুরুল হুদা চৌধুরী এই মামলার শুনানি পরিচালনা করেন।
শুনানি শেষে আদালত আসামিদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর মধ্যে ৭ জনের ১০ দিনের এবং ৪ নারীর ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। মামলার তদন্তের স্বার্থে এবং ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের জন্য পুলিশ এই রিমান্ডের আবেদন করেছিল। আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।
আদালত প্রাঙ্গণে আসামিকে মারধরের ঘটনার পর বিভিন্ন মহล থেকে প্রতিক্রিয়া ও বক্তব্য পাওয়া গেছে। ঘটনার বিষয়ে রফিউর রাব্বি বলেন, আদালতে আসামির ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য না। বিচার ব্যবস্থা কোন পর্যায়ে সেটাই এখন প্রশ্নবিদ্ধ। শেখ হাসিনার সময়ে বিচার ব্যবস্থা যে ধস নেমেছিল সেটার কোনো পরিবর্তন হয়নি, সেটা ওই অবস্থায়ই আছে।
অপরদিকে পুলিশের পক্ষ থেকেও এই ঘটনার ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। হাসিনুজ্জামান জানান, সেখানে যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। আদালতে নিহত বুলবুলের আত্মীয়-স্বজন শুভাকাঙ্ক্ষী ও রাজনৈতিক সহকর্মীরা ছিলেন। তাদের সঙ্গে এক পর্যায়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। উলঙ্গ করার ঘটনা ঘটেনি। তবে ধকল সব পুলিশের ওপর দিয়ে গেছে।
এছাড়া ইসলামী আন্দোলন ও ইসলামী যুব আন্দোলনের পক্ষ থেকেও বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। মুফতি মাসুম বিল্লাহ বলেন, গ্রেপ্তারের পরে সিফাতের অঙ্গভঙ্গির কারণে আমাদের কর্মীরা ক্ষুব্ধ ছিল। এ কারণে এই ঘটনা ঘটে। এটা আকস্মিকভাবে ঘটেছে। এটা আসলে ঠিক হয়নি। উল্লেখ্য, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন ব্যক্তি ও মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন মামলা বিচারাধীন রয়েছে।








