ধর্মীয় উপাসনালয়ের কর্মীদের জন্য নতুন নীতিমালা জারি
দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন নীতিমালা জারি করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত এই প্রজ্ঞাপনের আওতায় মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধ বিহার ও গির্জার কর্মীরা সম্মানী ও উৎসব ভাতা পাবেন।
প্রকাশ: · আপডেট: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ৯:৩২· ১ মিনিট পড়া

রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করার এই লক্ষ্যে একটি নতুন নীতিমালা জারি করা হয়েছে।
সরকার কর্তৃক দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই নতুন নীতিমালা জারি করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে যে, এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে একটি সুনির্দিষ্ট প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় 'মসজিদ ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিবর্গের জন্য সম্মানী ও কল্যাণ সহায়তা প্রদান নীতিমালা ২০২৬' শীর্ষক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জারি করা এই প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে দেশের উপাসনালয়গুলোর সাথে জড়িত কর্মীদের অধিকার সুরক্ষার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হলো।
এই নতুন নীতিমালার আওতায় মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধ বিহার ও গির্জাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানী ভাতা ও উৎসব ভাতা দেওয়া হবে। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন উপাসনালয়ে দায়িত্ব পালন করে আসা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নিয়মিত আর্থিক সুবিধার আওতায় আসবেন।
শুধু আর্থিক সহায়তা বা ভাতাই নয়, এই প্রজ্ঞাপনে কর্মীদের পেশাগত মানোন্নয়নের বিষয়টিতেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নীতিমালায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার কথাও উল্লেখ রয়েছে, যা তাদের কর্মদক্ষতা বাড়াতে সহায়তা করবে।
সব মিলিয়ে, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এই উদ্যোগের ফলে দেশের সব ধর্মীয় উপাসনালয়ের কর্মীরা একটি সুশৃঙ্খল কাঠামোর মধ্যে আসছেন। নীতিমালার সঠিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে উপাসনালয়গুলোর সাথে জড়িত ব্যক্তিরা আরও বেশি সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা লাভ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।








