দ্বীনি জ্ঞান অর্জন ও এর আদব বিষয়ে জুমার খুতবা অনুষ্ঠিত
২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে দেশের বিভিন্ন স্থানে জুমার খুতবায় দ্বীনি জ্ঞান অর্জন ও এর আদব নিয়ে আলোচনা করা হয়। ইসলামে ইলম অর্জনের গুরুত্ব এবং এর সঠিক উদ্দেশ্য নিয়ে বয়ান করেন খতিবরা।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে দেশের বিভিন্ন মসজিদে জুমার খুতবায় দ্বীনি জ্ঞান অর্জন ও তার আদব বিষয়ে বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। খুতবায় জানানো হয় যে, ইসলাম ধর্মে দ্বীনি ইলম অর্জন করা একটি অত্যন্ত বড় ইবাদত।
মুসলমানদের জন্য জ্ঞান অর্জন যে কতটা ফজিলতপূর্ণ, তা খুতবায় তুলে ধরা হয়। এই প্রসঙ্গে উল্লেখ করা হয় যে, রাসুলুল্লাহ (সা.) সবসময় ইলম অন্বেষণে উম্মতকে উৎসাহ দিয়ে গেছেন।
রাসুলুল্লাহ (সা.) ইলম অন্বেষণের সুফল সম্পর্কে বলেছেন যে, যে ব্যক্তি ইলমের সন্ধানে কোনো পথে চলে, আল্লাহ তাআলা তার জন্য জান্নাতের পথ সহজ করে দেন। এই হাদিসের আলোকে জ্ঞানার্জনের গুরুত্ব উপস্থিত মুসল্লিদের সামনে ব্যাখ্যা করা হয়।
তবে কেবল জ্ঞান অর্জন করলেই চলবে না, এর সঠিক উদ্দেশ্য কী হওয়া উচিত, তাও খুতবায় পরিষ্কার করা হয়েছে। খতিবরা বলেন যে, ইলম অর্জনের মূল উদ্দেশ্য হতে হবে নিজেদের জীবনে তার সঠিক আমল করা এবং দৃঢ় ইমান লাভ করা।
দ্বীনি জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্রে সঠিক আদব বা শিষ্টাচার মেনে চলার ওপরও জোর দেওয়া হয়। ইবাদত হিসেবে ইলম অর্জনের মাধ্যমে সমাজে প্রকৃত জ্ঞান ও পরকালের কল্যাণ অর্জিত হতে পারে বলে খুতবায় উল্লেখ করা হয়।
সব মিলিয়ে, ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখের জুমার খুতবায় দ্বীনি ইলমের মর্যাদা, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর বাণী এবং ইমান ও আমল অর্জনের মাধ্যম হিসেবে জ্ঞানের গুরুত্ব অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।








