দেশে চিকিৎসক সংকট: সরকারি হাসপাতালে শূন্য পদ ১১ হাজারের বেশি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী চিকিৎসকদের শূন্যপদ ও সংকটের তথ্য প্রকাশ করেছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী দেশে বর্তমানে প্রায় ৮৮ হাজার ৯০৯ জন চিকিৎসকের প্রয়োজন রয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

সংসদ ভবনে ঢাকা শহরে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বৈঠকে গত ৭ সেপ্টেম্বর দেশের স্বাস্থ্য খাতের চিকিৎসক সংকট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করা হয়। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই সংকট ও শূন্যপদের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়। বৈঠকে অংশ নেওয়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও সংসদীয় কার্যক্রমে মো. মোশারফ হোসেন, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং হাফিজ উদ্দিন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।
প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, চলতি বছর দেশে প্রায় ৮৮ হাজার ৯০৯ জন চিকিৎসকের প্রয়োজন রয়েছে। স্বাস্থ্য খাতের সার্বিক চাহিদা ও সেবার মান বজায় রাখার জন্যই এই বিশাল সংখ্যক চিকিৎসকের প্রয়োজনীয়তার কথা জানানো হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত ন্যূনতম মানদণ্ড অনুযায়ী প্রতি ১ হাজার জনে অন্তত ০.৫০ জন চিকিৎসকের প্রয়োজন। এই আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের আলোকেই দেশের বর্তমান চিকিৎসক চাহিদার বিষয়টি মূল্যায়ন করা হয়েছে।
বর্তমানে দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকের অনুমোদিত মোট পদের সংখ্যা হলো ৪১ হাজার ৮০৬টি। এই অনুমোদিত পদের বিপরীতে বর্তমানে ৩০ হাজার ৩১১ জন চিকিৎসক কর্মরত আছেন।
বড় ধরনের এই জনবল ঘাটতির ফলে বর্তমানে সরকারি হাসপাতালগুলোতে ১১ হাজার ৪৯৫টি পদ শূন্য রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এই পদগুলো খালি থাকায় সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
স্বাস্থ্য খাতের এই শূন্যপদগুলো দ্রুত পূরণ করার মাধ্যমে চিকিৎসক সংকট দূর করার তাগিদ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। দেশের প্রান্তিক ও সাধারণ জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে এই সংকট নিরসন অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।








