দুদকের নোটিশ: দুর্জয়ের স্ত্রীসহ তিনজনের সম্পদের হিসাব তলব
সাবেক এমপি এ এম নাঈমুর রহমান দুর্জয়ের স্ত্রীসহ তিনজনের সম্পদের হিসাব চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম ১ সেপ্টেম্বর এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাবেক জাতীয় ক্রিকেটার ও সংসদ সদস্য এ এম নাঈমুর রহমান দুর্জয়ের স্ত্রী ফারহানা রহমান হ্যাপি, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান জনি এবং যুবলীগ নেতা মো. আবুল বাশারের সম্পদের হিসাব চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রাজধানী ঢাকা, বাংলাদেশে এই সংক্রান্ত প্রক্রিয়া এগিয়ে চলেছে।
দুদকের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম ১ সেপ্টেম্বর এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, কমিশনে দাখিল করা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অংকের অবৈধ ও অসংগতিপূর্ণ সম্পদের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে।
অনুসন্ধানে ফারহানা রহমান হ্যাপির নামে ১ কোটি ৩৯ লাখ ৬৭ হাজার ১৬৭ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের তথ্য মিলেছে। তার স্বামী সাবেক সংসদ সদস্য এ এম নাঈমুর রহমান দুর্জয়ের বিরুদ্ধে এর আগেই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল।
এর আগে ২০২৪ সালের ১৮ ডিসেম্বর নাঈমুর রহমান দুর্জয়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল দুদক। সে সময় তার বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে ১১ কোটি টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছিল। পাশাপাশি তার ২২টি ব্যাংক হিসাবে ৪৭ কোটি ১৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকার সন্দেহভাজন লেনদেন পাওয়া গিয়েছিল।
এদিকে, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান জনির নামে ৬৯ লাখ ৯৪ লাখ ১৮৪ টাকার অসংগতিপূর্ণ সম্পদ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে দুদক। তার আয় ও ব্যয়ের তথ্যের মধ্যে এই অমিল পাওয়া যায়।
অন্যদিকে, যুবলীগ নেতা মো. আবুল বাশারের মালিকানাধীন ১৪টি ব্যাংক হিসাবে মোট ৮৬ কোটি ৮০ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪৯ টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এসব ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থের এই লেনদেন খতিয়ে দেখছে কমিশন।
উক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রাপ্ত এসব সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশন তাদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির হিসাব দাখিলের নির্দেশ দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের সম্পদের বিবরণী দাখিল করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।








