তাপপ্রবাহ ও ভ্যাপসা গরমে বাড়ছে দুর্ভোগ, বৃষ্টির পূর্বাভাস
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা কমে যাওয়ায় তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা বেড়ে ভ্যাপসা গরম অনুভূত হচ্ছে। এর ফলে লোডশেডিংয়ের কারণে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। তবে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, রোববার থেকে তাপমাত্রা কমে বৃষ্টির প্রবণতা বাড়তে পারে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বর্তমানে বৃষ্টির প্রবণতা বেশ কমে গেছে। এর সঙ্গে তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতা উভয়ই বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে দেশজুড়ে এক ধরনের ভ্যাপসা গরম অনুভূত হচ্ছে। এই অস্বস্তিকর আবহাওয়ার মধ্যে লোডশেডিংয়ের সমস্যা যুক্ত হওয়ায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ও দুর্ভোগ আরও বহুগুণ বেড়ে গেছে।
চলpমান এই গরমের পরিস্থিতি প্রসঙ্গে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ শাহীনুল ইসলাম জানান, বর্তমান পরিস্থিতি খুবই সাময়িক। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, রোববার থেকেই তাপমাত্রা কিছুটা কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ-উত্তর ওডিশা উপকূলীয় এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এই লঘুচাপের প্রত্যক্ষ প্রভাবে বাংলাদেশের প্রধান চার সমুদ্রবন্দর—চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রাকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির এই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। এমনকি দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অত্যন্ত ভারী বর্ষণ হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
আসন্ন আবহাওয়া পরিস্থিতি নিয়ে আবহাওয়াবিদ শাহীনুল ইসলাম আরও বলেন, আগামী ১ সেপ্টেম্বরের কাছাকাছি সময়ে বঙ্গোপসাগরে আরেকটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর প্রভাবে আগামী রোববার থেকেই দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে।
তিনি আরও জানান যে, সাগরে ইতোমধ্যে একটি লঘুচাপের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে সেটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেওয়ার মতো পর্যায়ে পৌঁছায়নি। আবহাওয়ার এই সম্ভাব্য পরিবর্তনের ফলে ভ্যাপসা গরমের বর্তমান অস্বস্তি কেটে গিয়ে স্বস্তি ফিরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।








