ঢামেক হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর চাপ, চিকিৎসাসেবা অব্যাহত
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা কাউকে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে না বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসাসেবা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে সার্বিক পরিস্থিতি সম্প্রতি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। হাসপাতালে আসা ডেঙ্গু রোগীদের মধ্যে বিভিন্ন বয়সের ব্যক্তিরা রয়েছেন, যাদের মধ্যে ২১ বছর বয়সী রিফাত এবং ১১ বছরের শিশু মিশাল অন্যতম। এছাড়া রাবেয়া খাতুন, শারমিন ও আলাউদ্দিনের মতো রোগীরা ও তাদের স্বজনেরাও এই হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।
হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে রোগীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এর মধ্যে ৮০২ নম্বর ওয়ার্ডে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে এই চিকিৎসাসেবা নিতে গিয়ে রোগী ও স্বজনদের নানা বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়। একেকটি ইউনিটে রোগীর সংখ্যা এবং তাদের সঙ্গে থাকা মানুষের ভিড় ব্যবস্থাপনার ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।
এই বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরে আলাউদ্দিন বলেন, একেকটি ইউনিটে ৪০ জনের বেশি রোগীর সঙ্গে সমানসংখ্যক স্বজন থাকেন। অর্থাৎ প্রায় ৮০ জন মানুষের জন্য ব্যবহারযোগ্য ওয়াশরুম রয়েছে মাত্র দুটি, যা স্বাস্থ্যকর পরিবেশের জন্য একেবারেই অপর্যাপ্ত।
রোগীর এই অতিরিক্ত চাপের বিষয়ে হাসপাতালের পক্ষ থেকেও পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করা হয়েছে। ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে মো. আসাদুজ্জামান সুনির্দিষ্ট বক্তব্য তুলে ধরেছেন।
মো. আসাদুজ্জামান জানান, সম্প্রতি ডেঙ্গু রোগীর চাপ বাড়লেও চিকিৎসাসেবা নিতে আসা কাউকে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে না। ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনার জন্য হাসপাতালে পুরুষ ও নারীদের জন্য পৃথক ৪০ বেডের ডেডিকেটেড ওয়ার্ড রয়েছে এবং রোগীর সংখ্যা বাড়লে অতিরিক্ত শয্যারও ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
তিনি ওষুধের মজুত ও সরবরাহ সম্পর্কে আরও বলেন, হাসপাতালে পর্যাপ্ত পরিমাণ স্যালাইন, নাপা ও অন্যান্য সহায়ক চিকিৎসাসামগ্রীর মজুত রয়েছে। ডেঙ্গু চিকিৎসায় সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিকের বিশেষ ভূমিকা নেই। তবে, মেরোপেনেমসহ প্রয়োজনীয় কিছু ইনজেকশন সরবরাহে রয়েছে।
ওষুধ কেনার প্রক্রিয়া ও সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে মো. আসাদুজ্জামান আরও উল্লেখ করেন, মূল বিষয়টি হলো, বাজেটের সীমাবদ্ধতার কারণে ঢালাওভাবে সব রোগীকে সব ধরনের ওষুধ দেওয়া সম্ভব হয় না; ফলে ক্ষেত্রবিশেষে রোগীদের কিছু ওষুধ বাইরে থেকে কিনতে হতে পারে। সব মিলিয়ে ঢামেক হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনা অব্যাহত রয়েছে।








