ডুমস্ক্রোলিং কী এবং এর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচার উপায়
সোশ্যাল মিডিয়া বা নিউজ ফিডে একটানা নেতিবাচক খবর পড়ার অভ্যাসকে ডুমস্ক্রোলিং বলা হয়। অতিরিক্ত ডুমস্ক্রোলিং ঘুমের ব্যাঘাত, মনোযোগ হ্রাস ও উৎকণ্ঠা বাড়াতে পারে। এটি থেকে বাঁচতে প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট সীমানা নির্ধারণের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
প্রকাশ: · আপডেট: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৬:০২· ১ মিনিট পড়া

সোশ্যাল মিডিয়া বা নিউজ ফিড একটানা স্ক্রোল করে যাওয়ার একটি ক্ষতিকর অভ্যাস হলো ডুমস্ক্রোলিং। এই অভ্যাসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা সাধারণত নেতিবাচক নানা কনসেন্ট বা বিষয়বস্তু একটানা দেখতে থাকেন। আধুনিক ডিজিটাল যুগে এই অভ্যাসটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
অতিরিক্ত ডুমস্ক্রোলিংয়ের কারণে মানুষের শরীরে নানা ধরনের শারীরিক ও মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর ফলে ঘুমের মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এছাড়া এর কারণে মানুষের কাজের মনোযোগ হ্রাস পায় এবং শরীরে অতিরিক্ত উৎকণ্ঠা ও ছটফটানি বা অস্থিরতা বৃদ্ধি পায়।
বিশেষ করে রাতে ফোন বা ডিভাইসের স্ক্রিন থেকে যে নীল আলো নির্গত হয়, তা স্বাস্থ্যের জন্য বেশি ক্ষতিকর। এই নীল আলো মেলাটোনিন নামক হরমোনের উৎপাদন কমিয়ে দেয়। উল্লেখ্য যে, মেলাটোনিন হলো এমন একটি হরমোন যা মানুষের স্বাভাবিক ঘুমে সহায়তা করে থাকে।
এই ধরনের সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য বিশেষজ্ঞরা প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু সুনির্দিষ্ট সীমানা নির্ধারণ করার পরামর্শ দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে ডিভাইসের অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বা বিজ্ঞপ্তিগুলো বন্ধ করে রাখা, যাতে বারবার মনোযোগ বিঘ্নিত না হয়।
এছাড়াও ডুমস্ক্রোলিংয়ের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দূরে থাকতে ঘুমের অন্তত এক ঘণ্টা আগে সব ধরনের ডিজিটাল ডিভাইস দূরে সরিয়ে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। হাল ফ্যাশন ডেস্কের তথ্য অনুযায়ী, এসব সচেতনতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করলে ঘুম ও মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো রাখা সম্ভব।








