মূল কনটেন্টে যান
ব্রেকিং
BDRevise24 — Trusted & Targeted News

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — HEADER

টর্নেডোর শক্তির উৎস ও গঠন প্রক্রিয়ার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা

টর্নেডোতে ঘরবাড়ি, গাছপালা ও টিউবওয়েল পর্যন্ত উড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার শক্তি থাকে। মেঘ থেকে শক্তি সঞ্চয় করে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ সৃষ্টি হয়। উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে এর ঘূর্ণন প্রক্রিয়া ভিন্ন হয়ে থাকে।

বিডিরিভাইস২৪ ডেস্ক

প্রকাশ: · মিনিট পড়া

টর্নেডোর শক্তির উৎস ও গঠন প্রক্রিয়ার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা
ছবি: প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — ARTICLE_TOP

প্রকৃতির অন্যতম এক ভয়ঙ্কর রূপ হলো টর্নেডো। এই শক্তিশালী ঝড়ে ঘরবাড়ি, গাছপালা ও টিউবওয়েল পর্যন্ত উড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার মতো ধ্বংসাত্মক শক্তি থাকে। মূলত মেঘ থেকেই টর্নেডো তার প্রয়োজনীয় শক্তি অর্জন করে থাকে।

টর্নেডো সৃষ্টির পেছনে কাজ করে জলীয়বাষ্পভরা বাতাসের রূপান্তর প্রক্রিয়া। জলীয়বাষ্পপূর্ণ বাতাস নিম্নচাপের কারণে হালকা হয়ে ওপরে উঠে যায় এবং পরবর্তীতে ঠান্ডা হয়। এই ঠান্ডা হওয়ার প্রক্রিয়ায় বাতাসের জলীয়বাষ্প জমে মেঘে পরিণত হয়।

জলীয়বাষ্প থেকে মেঘে রূপান্তর ঘটার এই পুরো সময়টিতে প্রচুর পরিমাণে তাপ নির্গত হয়। এই নির্গত তাপই পরবর্তীতে ঝড়ের ক্ষেত্রে গতিশক্তিরূপে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং টর্নেডোকে শক্তি জোগায়।

খুব বেশি গরমের কারণে বাতাস যখন অত্যন্ত দ্রুত গতিতে ওপরের দিকে উঠতে থাকে, তখন ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি এলাকায় একটি শূন্যতার সৃষ্টি হয়। এই আকস্মিক শূন্যতা পূরণের জন্য তখন চারপাশ থেকে ঠান্ডা বাতাস প্রবল বেগে ছুটে আসে।

পৃথিবীর বিভিন্ন গোলার্ধে টর্নেডোর সময় ও গতির ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট বৈচিত্র্য দেখা যায়। যেমন—পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে টর্নেডো সাধারণত মার্চ থেকে আগস্ট মাসের মধ্যে সংঘটিত হয়ে থাকে।

এছাড়া ভৌগোলিক অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে টর্নেডোর বায়ুপ্রবাহের ঘূর্ণন দিকও পরিবর্তিত হয়। উত্তর গোলার্ধে সৃষ্ট টর্নেডোর বায়ুপ্রবাহ চক্রাকারে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘুরপাক খায়। অন্যদিকে, দক্ষিণ গোলার্ধে এই বায়ুপ্রবাহ ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরপাক খেয়ে থাকে।

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — IN_ARTICLE

খবরটি পড়ে আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

সব দেখুন
ইন্দোনেশিয়া ও ঢাকার আকাশে বিরল রঙধনু মেঘের দেখা
বিজ্ঞান

ইন্দোনেশিয়া ও ঢাকার আকাশে বিরল রঙধনু মেঘের দেখা

সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ার জাঙ্গল এবং বাংলাদেশের ঢাকার আকাশে দেখা মিলেছে এক বিরল 'রঙধনু মেঘ' বা ইরিডিসেন্ট ক্লাউডের। মূলত সূর্যালোকের সাথে মেঘের ক্ষুদ্র পানির কণা বা বরফ স্ফটিকের প্রতিক্রিয়ায় এই প্রাকৃতিক ঘটনা ঘটে থাকে।

১ মিনিট পড়া
২৫ বছর পর রহস্য ভেদ: মিল্কিওয়েতে হাইড্রোজেনহীন হিলিয়াম নোভা আবিষ্কার
বিজ্ঞান

২৫ বছর পর রহস্য ভেদ: মিল্কিওয়েতে হাইড্রোজেনহীন হিলিয়াম নোভা আবিষ্কার

বহو প্রতীক্ষার পর দীর্ঘ ২৫ বছরের গবেষণা শেষে মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে আবিষ্কৃত হয়েছে একমাত্র নিশ্চিত হাইড্রোজেনহীন হিলিয়াম নোভা ভি৪৪৫ পাপিস। বিভিন্ন শক্তিশালী টেলিস্কোপের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই নক্ষত্রযুগলের প্রকৃত প্রকৃতি উন্মোচন করেছেন গবেষকরা।

১ মিনিট পড়া
ইনানী জাতীয় উদ্যানে মিলল মেঘলা চিতা সহ ২৩ প্রজাতির প্রাণী
বিজ্ঞান

ইনানী জাতীয় উদ্যানে মিলল মেঘলা চিতা সহ ২৩ প্রজাতির প্রাণী

কক্সবাজারের ইনানী জাতীয় উদ্যানে দীর্ঘ এক বছর গবেষণা চালিয়ে ২৩ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণীর সন্ধান পেয়েছেন গবেষকরা। ক্যামেরা ট্র্যাপের মাধ্যমে এই বনে মেঘলা চিতার ছবিও পাওয়া গেছে। আন্তর্জাতিক জার্নালে এই গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।

১ মিনিট পড়া
ফ্লেক্স ও সেন্টিনেল-৩সি উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করল ইএসএ
বিজ্ঞান

ফ্লেক্স ও সেন্টিনেল-৩সি উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করল ইএসএ

উদ্ভিদের স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত চাপ মূল্যায়নের জন্য ফ্লেক্স এবং সামুদ্রিক পরিবেশ ও ফসলের ফলন পর্যবেক্ষণের জন্য সেন্টিনেল-৩সি উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের মহাকাশ কর্মসূচি কোপার্নিকাসের অংশ হিসেবে এই উপগ্রহগুলো কাজ করবে।

১ মিনিট পড়া

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — FOOTER