জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন স্থায়ী প্রতিনিধির দায়িত্ব গ্রহণ
আইরিন জুবাইদা খান জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তিনি নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কাছে তার পরিচয়পত্র পেশ করেন।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৯ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ৩:৩১· ১ মিনিট পড়া

আইরিন জুবাইদা খান জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। ২৮ আগস্ট এই গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক দায়িত্বভার গ্রহণ করেন তিনি। দীর্ঘ বর্ণাঢ্য পেশাজীবী অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই কূটনীতিকের নতুন এই পদায়ন বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।
দায়িত্ব গ্রহণের অংশ হিসেবে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘ সদর দফতরে যান। সেখানে তিনি জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কাছে তার আনুষ্ঠানিক পরিচয়পত্র পেশ করেন। এই সাক্ষাতের মধ্য দিয়ে তিনি জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করলেন।
আইরিন জুবাইদা খান এর আগে দায়িত্বে থাকা সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরীর স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরীর স্থলাভিষিক্ত হয়ে তিনি এখন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের নেতৃত্ব দেবেন এবং বিভিন্ন বৈশ্বিক ফোরামে দেশের স্বার্থ তুলে ধরবেন।
জাতিসংঘে নতুন দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ল অর্গানাইজেশন এবং জেনেভার গ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ। এসব প্রতিষ্ঠানে কাজের সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা তার বর্তমান দায়িত্বে অত্যন্ত কাজে লাগবে।
এ ছাড়াও, তিনি ২০২০ সালের ১ আগস্ট থেকে জাতিসংঘে মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও সুরক্ষা বিষয়ক বিশেষ দূত হিসেবে অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে মানবাধিকার ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় তার এই ভূমিকা আন্তর্জাতিক মহলে প্রশংসিত হয়েছে।
নিউইয়র্কস্থ জাতিসংঘ সদর দফতরে পরিচয়পত্র পেশ করার মাধ্যমে তার এই নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। আশা করা হচ্ছে, তার এই যোগদানের ফলে জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক তৎপরতা আরও গতিশীল হবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি আরও সুদৃঢ় হবে।








