জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের নতুন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা মোতাহের হোসেন
নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে নতুন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন। তিনি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ গোলাম রাব্বানীর স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। ১৮ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এই নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের নতুন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন। ১৮ আগস্ট এই গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগ দেওয়া হয়। এর আগে তিনি কারা মহাপরিদর্শকের দায়িত্ব সফলভাবে শেষ করেন। কারা অধিদপ্তরের দায়িত্ব শেষ করার পরই তাকে এই নতুন কূটনৈতিক দায়িত্বে নিয়োজিত করা হলো।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেনকে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার আলোকেই তাকে নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে পদায়ন করা হয়েছে। এই নিয়োগের ফলে তিনি দেশের কূটনৈতিক ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন।
নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন বিশেষ কূটনৈতিক মর্যাদা ভোগ করবেন। নিয়মানুযায়ী, দায়িত্ব পালনকালে তিনি 'মিনিস্টার' পদের সমকক্ষ কূটনৈতিক পদমর্যাদা লাভ করবেন, যা আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুসংহত করবে।
এই নতুন দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে তিনি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ গোলাম রাব্বানীর স্থلاভিষিক্ত হলেন। এর আগে জাতিসংঘ মিশনে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলেন মোহাম্মদ গোলাম রাব্বানী। তার স্থলাভিষিক্ত হয়েই মোতাহের হোসেন নিউইয়র্কে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে যোগ দিচ্ছেন।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, জাতিসংঘে এই গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক দায়িত্ব পাওয়ার পরেও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মোতাহের হোসেনের চাকরি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতেই বহাল থাকবে। অর্থাৎ, তার মূল সামরিক সার্ভিস অপরিবর্তিত রেখেই তাকে এই বৈদেশিক মিশনে deputation বা প্রেষণে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
১৮ আগস্ট তারিখে জারikrit প্রজ্ঞাপনের সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর তিনি দ্রুতই তার নতুন কর্মস্থল যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার প্রস্তুতি নেন। জাতিসংঘ মিশনে বাংলাদেশের সামরিক ও কৌশলগত স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো দেখভাল করাই তার মূল দায়িত্ব হবে।








