চাল ধোয়ার বৈজ্ঞানিক কারণ ও কার্যকারিতা নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন
চাল ধোয়ার ফলে অতিরিক্ত স্টার্চ দূর হয়ে ভাত ঝরঝরে হয় এবং ধুলোবালি ও তুষ দূর হয়। এছাড়া রান্নার আগে চাল ধুলে প্লাস্টিক কণা ও আর্সেনিক কমার মতো বৈজ্ঞানিক কার্যকারিতা রয়েছে। ২২ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

চাল ধোয়ার কারণ ও পদ্ধতি এবং তার বৈজ্ঞানিক কার্যকারিতা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে ২২ আগস্ট ২০২৬ তারিখে। এই প্রতিবেদনে চাল ধোয়ার বিভিন্ন দিক ও তার সুফল তুলে ধরা হয়েছে। সাধারণ অভ্যাস হিসেবে চাল ধোয়া হলেও এর পেছনে রয়েছে সুনির্দিষ্ট কিছু কারণ।
ধান থেকে চাল তৈরি, পরিবহন ও সংরক্ষণের বিভিন্ন পর্যায়ে চালের সঙ্গে ধুলা, তুষ বা অন্যান্য সূক্ষ্ম কণা মিশে যেতে পারে। এই কারণে রান্নার আগে চাল ভালোভাবে পরিষ্কার করা জরুরি বলে মনে করা হয়। এই প্রক্রিয়া চালের উপরিভাগের অবাঞ্ছিত কণা দূর করতে সাহায্য করে।
পরিষ্কার করার পাশাপাশি চাল ধোয়ার আরেকটি বড় সুফল হলো রান্নার পর ভাত ঝরঝরে হওয়া। চাল ধোয়ার ফলে চালের ওপরের অতিরিক্ত স্টার্চ দূর হয়। এর ফলে ভাত রান্নার পর একে অপরের সঙ্গে আঠার মতো লেগে থাকে না এবং বেশ ঝরঝরে হয়।
চাল ধোয়ার বৈজ্ঞানিক কার্যকারিতার কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক খাদ্য ও কৃষি সংস্থা, এফডিএ এবং হিন্দুস্তান টাইমস। এসব সূত্র ও সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, চাল অন্যান্য অনেক শস্যের তুলনায় পরিবেশ থেকে অজৈব আর্সেনিক বেশি শোষণ করতে পারে। যা স্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে।
আর্সেনিক কমানোর একটি কার্যকর পদ্ধতির কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ৬ থেকে ১০ ভাগ পানি দিয়ে ১ ভাগ চাল রান্না করে অতিরিক্ত পানি ফেলে দিলে নির্দিষ্ট ধরনের চালে অজৈব আর্সেনিক ৪০ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
শুধু আর্সেনিক নয়, প্লাস্টিক দূষণের বিষয়টিও গবেষণায় উঠে এসেছে। ২০২১ সালের একটি গবেষণায় দেখা যায়, রান্নার আগে চাল পানিতে ধুলে কিছু ধরনের প্লাস্টিক কণা ২০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে। এই বৈজ্ঞানিক তথ্যগুলো চাল ধোয়ার গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।








