চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে গ্যাস সংকটে দিনে ১০-১২ বার লোডশেডিং
গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ঘন ঘন লোডশেডিং হচ্ছে। দিনে অন্তত ১০ থেকে ১২ বার পর্যন্ত বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। এর ফলে জেনারেটর চালু হওয়ার আগের ৩০ থেকে ৪০ সেকেন্ড সাময়িক অন্ধকার দেখা দিচ্ছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

২০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত খবরে জানা যায়, গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ঘন ঘন লোডশেডিং হচ্ছে। এই বিদ্যুৎ সংকটের ফলে বিমানবন্দরটির দৈনন্দিন কার্যক্রমে নানা ধরনের প্রভাব পড়ছে।
বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী, চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দিনে অন্তত ১০ থেকে ১২ বার পর্যন্ত বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। গ্যাস সংকটের কারণে দেশজুড়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার ফলে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে ঢাকা পোস্ট-কে দেওয়া তথ্যে বিমানবন্দরের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সারা দেশের ন্যায় বিমানবন্দরেও কিছুটা লোডশেডিং হচ্ছে। এতে করে বিমানবন্দরের দৈনন্দিন কার্যক্রমে কিছুটা প্রভাব পড়ছে।
বিদ্যুৎ সংকটের এই বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন ইব্রাহিম খলিল। তিনি জানান, চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে পিডিবির দুটি জরুরি লাইন রয়েছে। এরপরও বিদ্যুৎ চলে গেলে বিমানবন্দরের নিজস্ব জেনারেটর চালু করতে হয়।
তবে এই নিজস্ব জেনারেটর চালু হতে ৩০ থেকে ৪০ সেকেন্ড সময় লাগে বলে উল্লেখ করেন ইব্রাহিম খলিল। তিনি আরও জানান, এই সময়টুকুতে বিমানবন্দর কিছুটা অন্ধকার দেখা যায়।
জেনারেটর চালুর আগের এই বিরতি সম্পর্কে ইব্রাহিম খলিল আশ্বস্ত করে বলেন, অপারেশনাল কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতিগুলোতে আলাদা আলাদা আইপিএসের মাধ্যমে ব্যাকআপ রয়েছে। এ কারণে বিমান চলাচল সংক্রান্ত অপারেশনাল কাজে কোনো জটিলতা হচ্ছে না এবং মূলত লাইটিংয়ের ক্ষেত্রেই সমস্যা হচ্ছে।
বিদ্যুৎ উৎপাদনের এই ঘাটতির মূল কারণ হিসেবে জ্বালানি সংকটের কথা উঠে এসেছে। জানা গেছে, চট্টগ্রামে দৈনিক প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস প্রয়োজন হলেও বর্তমানে তা কমে গিয়ে সরবরাহ নেমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১৮০ থেকে ১৯০ মিলিয়ন ঘনফুটে।








