চট্টগ্রাম ও সিলেটে উদযাপিত হলো ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)
চট্টগ্রামে ৫৫তম জশনে জুলুশ এবং সিলেটে মুবারক র্যালির মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত হয়েছে। মোহাম্মদী ইসলামের নেতৃত্বে আয়োজিত এসব কর্মসূচিতে লক্ষাধিক মানুষ অংশ নেন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে ৫৫তম জশনে জুলুশ অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। একইসঙ্গে দেশের অন্যতম প্রধান আধ্যাত্মিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র সিলেটে মুবারক র্যালির আয়োজন করা হয়। প্রতিবছরের মতো এবারও এই দিনটি উদযাপনে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।
সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, আজ সমগ্র মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এই দিনে হযরত মোহাম্মদ (সা.) এর ১৫০১তম জন্মবার্ষিকী পালিত হচ্ছে। দিনটি উপলক্ষে চট্টগ্রাম ও সিলেটে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচিতে ধর্মপ্রাণ মানুষের ঢল নামে। সুশৃঙ্খলভাবে আয়োজিত এসব র্যালি ও জুলুশে সর্বস্তরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, মোহাম্মদী ইসলামের ব্যবস্থাপনায় ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই বর্ণাঢ্য র্যালিগুলোর আয়োজন করা হয়। মোহাম্মদী ইসলামের নেতৃত্ব প্রদানকারী বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা এসব কর্মসূচিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে এই র্যালি ও জুলুশগুলো নির্ধারিত স্থানে গিয়ে শেষ হয়।
র্যালি শুরুর আগে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা বর্তমান সময়ের নানা বিষয়ের ওপর আলোকপাত করেন। তিনি তার বক্তব্যে বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, 'ঈদে মিলাদুন্নবীর (সা.) বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানো বন্ধ করে হযরত মোহাম্মদ (সা.) এর প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শনের আহ্বান' জানান তিনি। তার এই বক্তব্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে উপস্থিত জনতা নানা স্লোগানে মুখরিত করে তোলেন চারপাশ।
চট্টগ্রাম ও সিলেটে আয়োজিত এই ঐতিহাসিক জশনে জুলুশ ও মুবারক র্যালিতে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আজকের এই আনন্দ র্যালিতে লক্ষাধিক মানুষ অংশ নিয়েছেন। চট্টগ্রাম ও সিলেটের মূল সড়কগুলো ছাড়াও অলিগলিতেও নবীপ্রেমিক জনতার উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
শান্তি, শৃঙ্খলা এবং যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদার মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম ও সিলেটে আজকের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন সম্পন্ন হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সতর্ক উপস্থিতিতে এবং মোহাম্মদী ইসলামের নেতাকর্মীদের সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনায় পুরো অনুষ্ঠানটি সফলভাবে শেষ হয়, যা স্থানীয় মুসল্লিদের মনে গভীর আধ্যাত্মিক প্রভাব ফেলে।








