গুজরাটে অনন্ত আম্বানির বনতারা বন্যপ্রাণী আশ্রয়কেন্দ্রের কার্যক্রম
ভারতের গুজরাটের জামনগরে অবস্থিত রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের ‘বনতারা’ বন্যপ্রাণী আশ্রয়কেন্দ্রটি ৩ হাজার ৫০০ একরেরও বেশি জায়গাজুড়ে বিস্তৃত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০২৫ সালের মার্চে এই বিশাল আশ্রয়কেন্দ্রটি উদ্বোধন করেন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

ভারতের গুজরাটের জামনগরে অবস্থিত ‘বনতারা’ বন্যপ্রাণী আশ্রয়কেন্দ্রটি বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগটির নেপথ্যে রয়েছেন শিল্পপতি অনন্ত আম্বানি। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও তাদের কল্যাণে এটি একটি অনন্য পদক্ষেপ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০২৫ সালের মার্চে আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিশাল বনতারা আশ্রয়কেন্দ্রটি উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর থেকেই এর কার্যক্রম ও ব্যবস্থাপনা আন্তর্জাতিক মহলের নজর কেড়েছে। এটি বন্যপ্রাণী উদ্ধার, চিকিৎসা এবং পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে এক নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে।
রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের এই প্রকল্পটির আয়তন অত্যন্ত বিশাল। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, বনতারার মোট আয়তন ৩ হাজার ৫০০ একরেরও বেশি। এর মধ্যে শুধু হাতিদের জন্য প্রায় ৯৯৮ একর এলাকা বিশেষভাবে সংরক্ষিত রাখা হয়েছে, যা এই বিশাল প্রাণীদের চলাফেরা ও আশ্রয়ের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।
বনতারার প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, এই আশ্রয়কেন্দ্রে বর্তমানে ১ লাখ ৫০ হাজারের বেশি প্রাণী রয়েছে। এছাড়া এখানে প্রায় ২ হাজারেরও বেশি প্রজাতির পশুপাখি ও বন্যপ্রাণী রক্ষণাবেক্ষণ করা হচ্ছে। এত বিপুলসংখ্যক প্রাণীর সমাহার বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের ইতিহাসে এক বিরল ঘটনা।
এই আশ্রয়কেন্দ্রের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো এর বিশেষ চিকিৎসাসেবা। রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের দাবি অনুযায়ী, এখানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় হাতি হাসপাতাল রয়েছে। যেখানে অসুস্থ ও আঘাতপ্রাপ্ত হাতিদের উন্নত চিকিৎসা এবং সার্বক্ষণিক যত্ন নিশ্চিত করা হয়।
সব মিলিয়ে, অনন্ত আম্বানির উদ্যোগে গড়ে ওঠা জামনগরের এই বনতারা বন্যপ্রাণী আশ্রয়কেন্দ্রটি পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় একটি অনন্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। এর সুপরিসর এলাকা এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বিপন্ন ও অসুস্থ প্রাণীদের নতুন জীবন দানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে।








