গুজরাটের জামনগরে অনন্ত আম্বানির বনতারা বন্যপ্রাণী আশ্রয়কেন্দ্র
ভারতের গুজরাটের জামনগরে অবস্থিত অনন্ত আম্বানির ‘বনতারা’ বন্যপ্রাণী আশ্রয়কেন্দ্রটি ৩ হাজার ৫০০ একরেরও বেশি এলাকজুড়ে বিস্তৃত। রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের এই উদ্যোগে ১ লাখ ৫০ হাজারের বেশি প্রাণী ও ২ হাজারেরও বেশি প্রজাতির আবাস রয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

ভারতের গুজরাটের জামনগরে অবস্থিত অনন্ত আম্বানির তৈরি ‘বনতারা’ বন্যপ্রাণী আশ্রয়কেন্দ্রটি বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী, রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগটির নেপথ্যে রয়েছেন মুকেশ আম্বানির কনিষ্ঠ পুত্র অনন্ত আম্বানি। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও সুরক্ষার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে এই আশ্রয়কেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০২৫ সালের মার্চে এই সুবিশাল বনতারা আশ্রয়কেন্দ্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর থেকেই এটি বন্যপ্রাণীপ্রেমী ও আন্তর্জাতিক মহলের নজর কেড়েছে। মূলত অনন্ত আম্বানির ব্যক্তিগত আগ্রহ এবং রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের যৌথ প্রচেষ্টায় এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়েছে।
বনতারার আয়তন অত্যন্ত বিশাল, যা ৩ হাজার ৫০০ একরেরও বেশি এলাকা জুড়ে বিস্তৃত রয়েছে। এই বিশাল সীমানার মধ্যে বন্যপ্রাণীদের স্বাভাবিক চলাফেরা এবং সুরক্ষার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর মধ্যে কেবল হাতিদের জন্য প্রায় ৯৯৮ একর সংরক্ষিত এলাকা আলাদা করে রাখা হয়েছে, যা প্রাণীদের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করে।
রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের তথ্য ও বনতারার ওয়েবসাইটের হিসাব অনুযায়ী, এই আশ্রয়কেন্দ্রে বর্তমানে ১ লাখ ৫০ হাজারের বেশি প্রাণী বসবাস করছে। এছাড়া এখানে ২ হাজারেরও বেশি প্রজাতির প্রাণীর উপস্থিতি রয়েছে, যা জীববৈচিত্র্যের এক বিশাল সমাহার তৈরি করেছে।
এই আশ্রয়কেন্দ্রের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো এর বিশেষ অবকাঠামো ও চিকিৎসাব্যবস্থা। রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন দাবি করে যে, এখানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় হাতি হাসপাতাল রয়েছে। এই হাসপাতালে আহত ও অসুস্থ হাতিদের উন্নত চিকিৎসা এবং সেবা প্রদান করা হয়ে থাকে।
সবমিলিয়ে, গুজরাটের জামনগরে অবস্থিত অনন্ত আম্বানির এই বনতারা আশ্রয়কেন্দ্রটি বন্যপ্রাণী উদ্ধার, পুনর্বাসন এবং চিকিৎসার ক্ষেত্রে একটি আন্তর্জাতিক মানের কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে এটি আজকের এই বিশাল রূপ লাভ করেছে।








