কাবিননামায় পূর্ববর্তী বিয়ে ও সন্তানের তথ্য যুক্ত করার রিট
বিয়েতে তথ্য গোপন ও প্রতারণা রোধে কাবিননামায় বর ও কনের আগের বিয়ে ও সন্তানের তথ্য অন্তর্ভুক্তির নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান ২৫ আগস্ট এই রিট দায়ের করেন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

বিয়েতে তথ্য গোপন ও প্রতারণা রোধে কাবিননামায় বর ও কনের পূর্ববর্তী বিয়ে এবং সন্তানের তথ্য অন্তর্ভুক্তির সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন দাখিল করা হয়েছে। রাজধানী ঢাকায় গত ২৫ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট আবেদনটি দায়ের করা হয়। সমাজে বিভিন্ন সময়ে বিয়ের ক্ষেত্রে অতীতের তথ্য গোপনের মাধ্যমে প্রতারণার ঘটনা ঘটায় এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
আদালতে এই জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট রিটটি দায়ের করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান। তিনি রিট আবেদনে বর্তমান কাবিননামার বিভিন্ন ত্রুটি ও অসম্পূর্ণতার দিকগুলো তুলে ধরেছেন। তার মতে, বর্তমান ব্যবস্থার কারণে অনেকেই তাদের আগের বিবাহিত জীবন ও সন্তানের তথ্য গোপন করার সুযোগ পেয়ে যাচ্ছেন, যা পরবর্তীতে নানা আইনি ও সামাজিক জটিলতার সৃষ্টি করছে।
দাখিলকৃত এই রিট আবেদনে সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকটি সরকারি প্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ কর্তাব্যক্তিকে বিবাদী করা হয়েছে। বিবাদীরা হলেন— আইন ও বিচার বিভাগের সচিব, লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সচিব এবং নিবন্ধন অধিদফতরের মহাপরিদর্শক। কাবিননামার ফরম সংশルোধনের মাধ্যমে এই অসঙ্গতি দূর করতে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা রিটে জানতে চাওয়া হয়েছে।
রিট আবেদনে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে আইনজীবী ইশরাত হাসান তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, 'অসম্পূর্ণ ও অসমতাপূর্ণ কাবিননামার ব্যবহার পারিবারিক জীবনে ক্ষতি সৃষ্টি করছে। এটি আইনের আশ্রয়, মর্যাদা ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার অধিকারের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ।'
বর্তমান নিয়মের কারণে ভুক্তভোগী নারী ও পুরুষ উভয়কেই আইনি লড়াইয়ে নানা জটিলতার মুখে পড়তে হয়। তথ্য গোপনের মাধ্যমে সংঘটিত প্রতারণা রোধে কাবিননামার বিধান আরও কঠোর ও বাস্তবসম্মত করার কোনো বিকল্প নেই বলে রিটে জোরালো দাবি জানানো হয়েছে।
আইনজীবী ইশরাত হাসানের দায়ের করা এই রিটের ওপর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে আগামী দিনগুলোতে শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। রিট আবেদনে উল্লেখিত বিষয়গুলো নিয়ে আদালত কী ধরনের নির্দেশনা দেন, সেদিকে এখন সংশ্লিষ্ট মহলের নজর রয়েছে।








