কলকাতায় হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে ৮ বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় শোক
কলকাতায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আট বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে। এ বিষয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, যা যা করার আছে, তারা নিশ্চিতভাবে তা করবেন। বুধবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় এ কথা জানান তিনি।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

গত ২০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। এই সাক্ষাতের পটভূমিতে উঠে এসেছে সাম্প্রতিক এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনার প্রসঙ্গ। সম্প্রতি ভারতের কলকাতার নিউমার্কেটের কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
ওই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের দুর্ঘটনায় শিশুসহ মোট ৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন। এই প্রাণহানির ঘটনায় উভয় পক্ষেই গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে। এ ধরনের আকস্মিক দুর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনায় প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতের পক্ষ থেকেও সমবেদনা জানানো হয়েছে।
সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী নিহতদের বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, 'খুব দুঃখের কথা। যা যা করার আছে, আমরা নিশ্চয়ই করবো।'
তবে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন স্পষ্ট করে জানান যে, এই বৈঠকে অন্য কোনো অপ্রাসঙ্গিক কূটনৈতিক বিষয় বা ভারতের অভ্যন্তরীণ কোনো রাজনৈতিক প্রসঙ্গ আলোচিত হয়নি। তিনি বলেন, 'এটি ছিল সম্পূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ। ভারতে বাংলাদেশি নিহত হওয়ার প্রসঙ্গ আমি উঠাইনি।'
মন্ত্রী আরও জানান যে, এই সাক্ষাতের মূল উদ্দেশ্য ছিল সৌজন্যমূলক এবং দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়া। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'ওনারা আমাদের প্রাইম মিনিস্টারকে দাওয়াত দিয়েছেন, এটা শুধু বলেছেন। তারা আশা করছেন তিনি (প্রধানমন্ত্রী) যাবেন।'
কলকাতা শহরের মতো জনবহুল এলাকায় অবস্থিত একটি আবাসিক হোটেলে এমন ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড এবং তাতে শিশুসহ ৮ জন বাংলাদেশির প্রাণহানির ঘটনায় জনমনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতীয় হাইকমিশনের পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
সংবাদমাধ্যম জাগো নিউজ-এর তথ্য অনুযায়ী, সামগ্রিক এই পরিস্থিতি ও দ্বিপক্ষীয় সৌজন্যমূলক আলোচনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার বর্তমান কূটনৈতিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক উঠে এসেছে, যার মধ্যে কলকাতার মর্মান্তিক হোটেল অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।








