উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের নিজ জেলায় পদায়নের সিদ্ধান্ত
কৃষি বিভাগের মাঠপর্যায়ে কর্মরত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের নিজ জেলায় পদায়নের বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ৩১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকেল ৪:৩০· ১ মিনিট পড়া

সরকার কৃষি বিভাগের মাঠপর্যায়ে কর্মরত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের নিজ জেলায় পদায়নের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। ৩১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে রাজধানী ঢাকায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দেশের কৃষি খাতের উন্নয়ন এবং মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে এই নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।
৩১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় মন্ত্রিসভার বৈঠক। এই বৈঠকে দেশের সার্বিক প্রশাসনিক ও নীতিনির্ধারণী বিভিন্ন বিষয়ের পাশাপাশি কৃষি খাতের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের পোস্টিং বা পদায়ন সংক্রান্ত বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
মন্ত্রিসভার বৈঠക്കর পর রাজধানী ঢাকার তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে একটি প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়। ওই প্রেস ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। তিনি সংবাদমাধ্যম ও উপস্থিত সবার সামনে মন্ত্রিসভার এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেন।
প্রেস ব্রিফিংয়ে মাঠপর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাদের আগের পদায়ন ব্যবস্থার বিষয়ে আলোকপাত করে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বলেন, "আমাদের যারা কৃষিতে কাজ করেন একদম ফিল্ড লেভেলে, যাদের আমরা ব্লক সুপারভাইজার বা মোটামুটি সহকারী কৃষি কর্মকর্তা যারা আছেন, তাদের আগের যে সিস্টেম ছিল তাতে তারা নিজ জেলায় কাজ করতে পারতেন না।"
বর্তমান সরকারের নেওয়া নতুন এই সিদ্ধান্তের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে নাসিমুল গনি আরও বলেন, "এটা ২০২০ সাল থেকে চালু ছিল। কিন্তু এখন সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা নিজ জেলায় পদায়ন হবেন। যথাসম্ভব একদম ঠিক বাড়িতে হবেন না, কাছাকাছি জায়গায় থাকবেন, যেন তারা বেশি আউটপুট দিতে পারেন, বেশি সময় দিতে পারেন এবং দায়বদ্ধতা বাড়ে। এই উদ্দেশে গভর্নমেন্ট এই কাজটা করেছে।"
উল্লেখ্য, এতদিন ধরে ২০২০ সাল থেকে চলে আসা নিয়মের কারণে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা নিজ জেলায় কাজ করার সুযোগ পেতেন না। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে তারা এখন নিজ জেলায় কিংবা নিজ বাড়ির কাছাকাছি এলাকায় দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাবেন। এর ফলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি কৃষিক্ষেত্রে তাদের কার্যকারিতা এবং জবাবদিহিতা আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।








