ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প ও দুই হারামের জুমার খুতবা
ইন্দোনেশিয়ার উত্তর উপকূলে ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এদিকে জুমার খুতবায় মসজিদের হারামের ইমাম স্বপ্নের ব্যাখ্যার জন্য জ্যোতিষীদের কাছে যেতে নিষেধ করেছেন এবং মসজিদে নববীর ইমাম লজ্জাশীলতা নিয়ে আলোচনা করেছেন।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

ইন্দোনেশিয়ার উত্তর উপকূলে ১৫ আগস্ট শনিবার সকালে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭.৭। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগের ফলে ওই অঞ্চলে তাৎক্ষণিকভাবে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে এই ভূমিকম্পের ফলে ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত পরিমাণ বা কোনো হতাহতের সুনির্দিষ্ট তথ্য এই মুহূর্তে জানা যায়নি।
অন্যদিকে, একই সময়ে পবিত্র মক্কা নগরীর মসজিদুল হারাম এবং মদিনা মুনাওয়ারার মসজিদে নববীতে জুমার খুতবা প্রদান করা হয়। জুমার খুতবায় দুই সম্মানিত ইমাম সমসাময়িক ও ধর্মীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করেন। বিশেষ করে মুসলিম উম্মাহর জন্য দিকনির্দেশনামূলক নানা বার্তা দেওয়া হয় এই খুতবাগুলোতে।
মসজিদুল হারামের বিশিষ্ট ইমাম ও খতিব শায়খ সালেহ বিন হুমাইদ ১৪ আগস্ট শুক্রবার জুমার খুতবা প্রদান করেন। খুতবায় তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ের ওপর আলোকপাত করেন। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, সত্য স্বপ্ন বা রুয়া মানুষের জন্য সুসংবাদ বয়ে আনতে পারে।
তবে এই বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে ইসলামের কোনো ধরনের বিধান নির্ধারণ করা যায় না বলে তিনি সতর্ক করেন। একই সঙ্গে শায়খ সালেহ বিন হুমাইদ জুমার খুতবায় সাধারণ মানুষের উদ্দেশে একটি কড়া নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, স্বপ্নের সঠিক ব্যাখ্যার জন্য কোনোভাবেই যেন গণক ও জ্যোতিষীদের শরণাপন্ন হওয়া না হয়।
এদিকে অপর পবিত্র স্থান মসজিদে নববীর ইমাম ও খতিব শায়খ খালিদ আল-মুহান্না জুমার খুতবায় সম্পূর্ণ ভিন্ন কিন্তু অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি তার জুমার খুতবায় মানুষের জীবনে লজ্জাশীলতার গুরুত্ব ও এর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
শায়খ খালিদ আল-মুহান্না তার বক্তব্যে লজ্জাশীলতাকে ইমানের একটি অন্যতম শাখা হিসেবে উল্লেখ করে এর চর্চা বাড়ানোর তাগিদ দেন। মূলত এই দুই পবিত্র মসজিদের ইমামের জুমার খুতবা থেকেই মুসলিম উম্মাহর জন্য এই বিশেষ দিকনির্দেশনাগুলো এসেছে।








