ইনডোর প্লান্ট দিয়ে ঘর সাজানোর সহজ ও কার্যকরী উপায়
বাংলাদেশের ঘরবাড়ি ও বারান্দা সবুজায়নের মাধ্যমে সাজাতে মানি প্লান্ট, স্নেক প্লান্টসহ নানা ধরনের গাছ ব্যবহার করা যেতে পারে। পুরোনো জিনিস পুনর্ব্যবহৃত করে এবং উল্লম্ব বাগান তৈরি করেও গাছ লাগানো সম্ভব।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

ঘরের অন্দরসজ্জা সুন্দর ও সজীব করে তুলতে ইন্ডোর প্লান্ট বা ঘরের ভেতরে রাখা যায় এমন গাছ দারুণ ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশের ঘরবাড়িতে ঘরের ভেতরটা প্রাকৃতিক সবুজ দিয়ে সাজানোর জন্য বেশ কিছু জনপ্রিয় গাছ ব্যবহার করার প্রচলন রয়েছে। এর মধ্যে মানি প্লান্ট, স্নেক প্লান্ট, স্পাইডার প্লান্ট, আগ্লাওনেমা, জেড প্লান্ট এবং পিস লিলি ঘর সাজানোর কাজে বিশেষভাবে উপযোগী। এসব গাছ ঘরের ভেতরে রেখে খুব সহজেই নান্দনিক পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব।
শুধু বসার ঘর বা শোবার ঘরই নয়, ঘরের অন্যান্য কোণ বা নির্দিষ্ট স্থানগুলোতেও গাছ রাখার সুযোগ রয়েছে। যেমন বাথরুমে বা গোসলখানায় যদি পর্যাপ্ত আলো ও বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা থাকে, তবে সেখানে ফার্ন, স্পাইডার প্লান্ট কিংবা পিস লিলি রাখা যেতে পারে। এই ধরনের গাছ বাথরুমের আর্দ্র পরিবেশে বেশ ভালো থাকে এবং ঘরের অন্দরসজ্জায় ভিন্নমাত্রা যোগ করে।
ঘরের পাশাপাশি ফ্ল্যাটের বারান্দা ব্যবহারের ক্ষেত্রেও রয়েছে দারুণ কিছু সুযোগ। বারান্দায় ছোট আকারের ভেষজ উদ্ভিদ ও শাকসবজি চাষ করা যায়। বিশেষ করে বারান্দার ছোট পরিসরে পুদিনা পাতা, ধনেপাতা, কাঁচা মরিচ, টমেটো, লেবু এবং পালং শাক সফলভাবে ফলানো সম্ভব। এতে নিজেদের দৈনন্দিন রান্নার চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বারান্দাটিও সবুজে ভরে ওঠে।
জায়গার স্বল্পতা থাকলে ঘরের দেয়াল বা গ্রিলের ব্যবহার করে উল্লম্ব বাগান বা ভার্টিক্যাল গার্ডেন তৈরি করা যেতে পারে। দেয়াল কিংবা গ্রিলে উল্লম্ব বাগান তৈরির জন্য পুরোনো কাঠের তাক, বাঁশ, মজবুত গ্রিল অথবা ছোট স্ট্যান্ড ব্যবহার করা সম্ভব। এই পদ্ধতি অনুসরণ করে খুব কম জায়গাতেই অনেকগুলো গাছ একসঙ্গে সাজিয়ে রাখা যায়।
গাছ লাগানোর জন্য সবসময় নতুন টব কিনতে হবে এমন কোনো কথা নেই। বরং ঘরের বিভিন্ন পুরোনো ও অব্যবহৃত জিনিসপত্র সুন্দরভাবে কাজে লাগানো যায়। পুরোনো কাচের বোতল, কাপ, প্লাস্টিকের কন্টেইনার, টিনের কৌটো, অব্যবহৃত বালতি এবং পুরোনো টায়ার মনের মতো রঙ করে খুব সহজেই আকর্ষণীয় টব বা প্লান্টার হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।








