আদানির বন্ধ ইউনিট চালু, রামপালের একটি ইউনিট বন্ধ
আজ রোববার ঝাড়খণ্ডের আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের বন্ধ হওয়া ইউনিটটি পুনরায় চালু করা হয়েছে। তবে একই দিনে কারিগরি কারণে বাগেরহাটের রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে গেছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকেল ৬:১৬· ১ মিনিট পড়া

আজ রোববার ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত আদানির কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বন্ধ থাকা ইউনিটটি পুনরায় চালু করা হয়েছে। এর ফলে দুপুর থেকে এই কেন্দ্রটি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তবে এর মধ্যেই দেশের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎকেন্দ্রে নতুন করে বিভ্রাট দেখা দিয়েছে।
এর আগে গত বুধবার রাত ১২টার দিকে কারিগরি ত্রুটির কারণে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার এই কেন্দ্রটিতে ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি ইউনিট রয়েছে। ২০১৭ সালে আদানির সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি করেছিল বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)।
রোববার বন্ধ ইউনিট চালুর পর আদানির কেন্দ্রটি থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়তে থাকে। সকালের দিকে কেন্দ্রটি থেকে সর্বোচ্চ ৭৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছিল। এরপর বেলা ১২টায় আদানির দ্বিতীয় ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়।
ধীরে ধীরে এই কেন্দ্রের উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পায়। বেলা ২টার দিকে আদানির দুই ইউনিট মিলে বিদ্যুৎ সরবরাহ এক হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যায়। উল্লেখ্য, গত মাসের শেষ দিকে উৎপাদন বাড়িয়ে তারা দিনের বেলায় ৯০০ মেগাওয়াট করে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছিল।
এছাড়া সন্ধ্যা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত তারা ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ করছিল। এমনকি গত বুধবার রাতে এই কেন্দ্রটির উৎপাদন ১ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গিয়েছিল।
এদিকে আদানির কেন্দ্রটির উৎপাদন যখন বাড়ছিল, ঠিক সেই সময়ে দেশের ভেতরে ধাক্কা লেগেছে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে। আজ রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কারিগরি কারণে বাগেরহাটের রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে গেছে।
রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে কেন্দ্রটি থেকে সার্বিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে অর্ধেকে নেমেছে। আগে এই কেন্দ্র থেকে ১ হাজার ১০০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছিল, যা এখন কমে ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে গেছে। এর আগে একটি ইউনিট বন্ধ হওয়ার পর উৎপাদন কমে ৭৫০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে গিয়েছিল।








