আগস্টের ২২ তারিখ থেকে শুরু হচ্ছে ওরাল কলেরা টিকাদান
আগামী ২২ আগস্ট থেকে দেশে শুরু হতে যাচ্ছে দুই ডোজের ওরাল কলেরা টিকাদান কার্যক্রম। এই অভিযানে ৫৩ লাখ ৭৫ হাজার মানুষকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এক বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী সুস্থ ব্যক্তিরা এই টিকার আওতায় আসবেন।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

দেশের জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় আগামী ২২ আগস্ট থেকে একটি দুই ডোজের ওরাল কলেরা টিকাদান ক্যাম্পেইন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে যাচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ টিকাদান কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এই বিশেষ অভিযানে মোট ৫৩ লাখ ৭৫ হাজার মানুষকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এই টিকাদান কার্যক্রমে নির্দিষ্ট কিছু বয়সসীমা ও শারীরিক শর্ত প্রযোজ্য করা হয়েছে। এক বছর বা তার বেশি বয়সীরা এই কলেরা টিকা গ্রহণের যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। তবে গর্ভবর্তী নারী এবং গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তিরা এই টিকাদান কার্যক্রমের বাইরে থাকবেন। অর্থাৎ, তারা এই টিকা গ্রহণ করতে পারবেন না।
ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, টিকাদান কার্যক্রমটি দুটি পর্যায়ে সম্পন্ন হবে। এর মধ্যে প্রথম ডোজের টিকা আগামী ২২ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেওয়া হবে। এরপর দ্বিতীয় ডোজের টিকা প্রদান শুরু হবে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে, যা চলবে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত। দুই ডোজের এই পূর্ণাঙ্গ সুরক্ষাই কলেরা প্রতিরোধে কাজ করবে।
এই টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধনের জন্য রাজধানী ঢাকায় দুটি প্রধান অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন ঢাকার গুলিস্তানের নগর ভবনে এই ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধন করবেন। অন্যদিকে, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত তেজগাঁওয়ের ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঢাকা ছাড়াও আরও চারটি জেলায় এই টিকাদান কার্যক্রম একযোগে পরিচালিত হবে। জেলাগুলো হলো ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ এবং নারায়ণগঞ্জ। ঢাকার ৭টি থানা এবং চার জেলার ৭টি উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এই ক্যাম্পেইনের আওতায় রয়েছে।
উল্লেখ্য, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (DGHS) এবং আইসিডিডিআর,বি (icddr,b)-এর যৌথ উদ্যোগে ২০২২-২০২৩ সালে পরিচালিত একটি সমীক্ষায় সারা দেশে ১৪৪টি উপজেলা এবং সিটি করপোরেশন এলাকার থানাকে কলেরা হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। এই হটস্পটগুলোর মধ্য থেকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ১৪টি এলাকাকে এবারের প্রাথমিক টিকাদান ড্রাইভের জন্য বিশেষভাবে নির্বাচন করা হয়েছে।








