আইফেল টাওয়ারে বিএপিএস বিতর্ক: ক্ষমা চাইল সেটে ও সংগঠন
ফ্রান্সের আইফেল টাওয়ার পরিদর্শনের সময় নারী কর্মীদের দূরে রাখার অনুরোধ করায় তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় বোচাসন্যাসী অক্ষর পুরুষোত্তম স্বামীনারায়ণ (বিএপিএস) ও টাওয়ারের পরিচালনাকারী সংস্থা সেটে উভয়েই ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের আইফেল টাওয়ারে বোচাসন্যাসী অক্ষর পুরুষোত্তম স্বামীনারায়ণ বা বিএপিএস সংগঠনের পুরুষ সদস্যদের একটি বিশেষ ভ্রমণ ঘিরে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি এই সংগঠনের প্রায় ১০০ জন পুরুষ সদস্য আইফেল টাওয়ার পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। এই ভ্রমণকে কেন্দ্র করে নানা মহলে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
পরিদর্শনের আগে বিএপিএস সংগঠনের পক্ষ থেকে আইফেল টাওয়ারের পরিচালনাকারী সংস্থা 'সেটে'-এর কাছে একটি বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছিল। সেই অনুরোধে সংগঠনের পুরুষ সদস্যদের সাথে নারীদের সংস্পর্শ সীমিত রাখার কথা বলা হয়। বিএপিএস-এর এই অদ্ভুত আবদারের পরিপ্রেক্ষিতে আইফেল টাওয়ার কর্তৃপক্ষ তাদের নারী কর্মীদের দর্শনার্থীদের থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছিল।
এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর পরই সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে ব্যাপক আলোড়ন এবং বিতর্কের সৃষ্টি হয়। তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে আইফেল টাওয়ারের পরিচালনাকারী সংস্থা 'সেটে' একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করে। প্রকাশিত সেই বিবৃতিতে সংস্থাটি নিজেদের ভুল স্বীকার করে জানায় যে, তাদের পক্ষ থেকে বিএপিএস-এর সেই শর্তগুলো মেনে নেওয়া উচিত হয়নি৷
তীব্র সমালোচনার মুখে শুধু পরিচালনাকারী সংস্থাই নয়, বরং এই ঘটনার জেরে বিএপিএস এবং সেটে উভয়পক্ষই পরে ক্ষমা চেয়েছে। সংগঠনের পক্ষ থেকেও এই পুরো বিষয়টি নিয়ে অনুশোচনা প্রকাশ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, এর আগে ফ্রান্সের বুসি-সঁ-জর্জ-এ বিএপিএস সংগঠনের উদ্যোগে প্রথম একটি ঐতিহ্যবাহী হিন্দু মন্দিরের প্রাণপ্রতিষ্ঠা সম্পন্ন হয়েছিল। সুদূর ফ্রান্সে এই হিন্দু মন্দিরের প্রাণপ্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানটি বেশ গুরুত্বের সাথে উদযাপিত হয়।
ঐতিহ্যবাহী সেই মন্দিরের প্রাণপ্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে মূল্যবান ভাষণ দিয়েছিলেন। সেই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন যে, ভারত ও ফ্রান্সের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে৷








