১০ বছরেও শেষ হয়নি ডিএসসিসির ওসমানী উদ্যান আধুনিকায়ন প্রকল্প
৫৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ওসমানী উদ্যান আধুনিকায়ন প্রকল্পের কাজ ১০ বছরেও শেষ হয়নি। ২২ একর আয়তনের এই উদ্যানে ৩৫ শতাংশ জায়গায় বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৯ আগস্ট ২০২৬, সকাল ১১:৪৭· ১ মিনিট পড়া

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) অধীনে বাস্তবায়নাধীন ওসমানী উদ্যান আধুনিকায়ন প্রকল্পের কাজ ১০ বছরেও শেষ করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘ এই সময়ে প্রকল্পটির কাজ প্রায় শেষের পথে রয়েছে বলে জানা গেছে।
<্প্রকল্পটির নকশা তৈরি করেছেন স্থপতি রফিক আজম। এই আধুনিকায়ন প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৮ কোটি টাকা। তবে এর মধ্যে কেবল অবকাঠামো নির্মাণেই ব্যয় হয়েছে ৪৬ কোটি টাকা।রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ওসমানী উদ্যানের মোট জায়গা প্রায় ২২ একর। এর মধ্যে চার বিঘায় নির্মাণ করা হয়েছে বিশাল ভূগর্ভস্থ অবকাঠামো। এ ছাড়া পুরো উদ্যানের প্রায় ৩৫ শতাংশ জায়গায় বিভিন্ন ধরনের অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে।
এই প্রকল্পে আরও রয়েছে একটি ৯০ ফুট উঁচু স্তম্ভ। ২০২৬ সালের এই প্রেক্ষাপটে প্রকল্পটি নিয়ে নানা আলোচনা ও সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে।
প্রকল্পের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে আসাদুল ইসলাম জানিয়েছেন, তাদের কাজ মোটামুটি শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এখন সিটি করপোরেশন যদি উদ্যানটি বুঝে নিতে চায়, তবে তা বুঝিয়ে দেওয়া হবে।
অন্যদিকে, এই অতিরিক্ত অবকাঠামো নির্মাণের তীব্র সমালোচনা করেছে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ও স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়। কামরুজ্জামান মজুমদার এ বিষয়ে মন্তব্য করে বলেন, একটি উদ্যানে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ জায়গায় অবকাঠামো থাকতে পারে, কিন্তু ওসমানী উদ্যানে সেটা হয়ে যাচ্ছে ৩৫ শতাংশ। তিনি আরও জানান, এ নিয়ে তারা বাপার পক্ষ থেকে মানববন্ধন করেছেন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরে স্মারকলিপিও দিয়েছিলেন।
২০২৬ সালে এসেও পূর্ণাঙ্গভাবে উন্মুক্ত না হওয়া এই প্রকল্প নিয়ে নগরবাসীর মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া রয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী, তারেক রহমান, সাইফুল ইসলাম, সাঈদ খোকন এবং আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার মতো ব্যক্তি ও সমকাল সংবাদমাধ্যমের সংশ্লিষ্টতায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।








