স্কুলের টিফিনটাইম: বৃষ্টি, আড্ডা আর স্মৃতির দিনগুলো
স্কুলের টিফিনের বিরতিতে মরিয়ম ও সুবাইতার সঙ্গে কাটানো স্মৃতির রোমন্থন করেছেন লেখক। টিফিনের খাবারের বৈচিত্র্য, ক্যানটিনের মুখরোচক খাবার এবং বৃষ্টির দিনে বন্ধুদের সঙ্গে ভেজার স্মৃতি উঠে এসেছে এই আয়োজনে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

স্কুলের জীবন মানেই এক অন্যরকম নস্টালজিয়া, যার বড় একটা অংশ জুড়ে থাকে টিফিনের বিরতি। ক্লাসের ফাঁকে সেই ছোট্ট ছুটির সময়টিতে বন্ধুরা মিলে একসঙ্গে বসে খাওয়ার আনন্দই ছিল আলাদা। স্কুলজীবনের সেই সোনালী দিনগুলোতে লেখকের বিশ্বস্ত সঙ্গী ছিলেন মরিয়ম ও সুবাইতা। এই তিন বন্ধু মিলে স্কুলের টিফিনের বিরতিতে নিয়মিত একসঙ্গে টিফিন ভাগ করে খেতেন।
টিফিনের সেই সময়ে খাবারের বৈচিত্র্য ছিল দারুণ। মরিয়ম সাধারণত ঝাল ঝাল নুডলস নিয়ে আসত স্কুলে। তবে একদিন সে নুডলসের পরিবর্তে ব্যতিক্রমী কিছু হিসেবে চিকেন স্যান্ডউইচ নিয়ে এসেছিল, যা বন্ধুদের বেশ চমকে দিয়েছিল। অন্যদিকে, সুবাইতা সবসময় বাসা থেকে তৈরি সুস্বাদু খাবার নিয়ে আসত। তার টিফিন বাক্সে প্রায়ই হালিামের মতো মুখরোচক সব হোমমেড বা ঘরোয়া খাবার থাকত।
শুধু বাড়ি থেকে আনা খাবারই নয়, স্কুলের ক্যানটিন থেকেও বিভিন্ন সুস্বাদু খাবার কিনে খেতেন এই বন্ধুরা। ক্যানটিন থেকে তাদের পছন্দের তালিকার শীর্ষে ছিল গরম কফি, মচমচে সমোসা এবং খিচুড়ি। টিফিনের নির্দিষ্ট ওই সময়ে এই খাবারগুলো ভাগ করে খাওয়ার আনন্দই ছিল অন্যরকম, যা তাদের বন্ধুত্বকে আরও গভীর করে তুলেছিল।
খাবারের আড্ডার পাশাপাশি স্কুলের টিফিনটাইমের স্মৃতিতে আরও একটি বিশেষ ঘটনা জড়িয়ে রয়েছে। তা হলো বৃষ্টির দিনে বন্ধুদের সঙ্গে একসঙ্গে বৃষ্টিতে ভেজার আনন্দ। স্কুলের টিফিনের সময় হঠাৎ বৃষ্টি নামলে তারা ঘরে আটকে না থেকে একসঙ্গে সেই বৃষ্টিতে ভিজেছিলেন।
স্কুলের চার দেয়ালের মধ্যে পড়াশোনার ফাঁকে টিফিনের এই ছোট্ট বিরতিগুলোই হয়ে উঠেছিল বন্ধুত্বের সবচেয়ে সুন্দর সময়। মরিয়ম, সুবাইতা ও লেখকের সেই স্কুলজীবনের দিনগুলো, টিফিনের খাবার এবং বৃষ্টির দিনের সেই আনন্দময় স্মৃতিগুলো আজও অমলিন হয়ে রয়েছে।








