বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিজ্ঞাপন
সৌখিন ইঁদুর তাড়ানোর ব্যর্থ ও হাস্যকর প্রচেষ্টা
লেখকের ঘরে একটি নেংটি ইঁদুরের উৎপাত শুরু হলে তাকে তাড়াতে নানা আয়োজন করা হয়। চানাচুর, দুধ-কলা ও বিষ কেনার পাশাপাশি লোহার রড ও ক্রিকেট ব্যাট নিয়ে তাড়া করলেও ইঁদুরটিকে ধরা যায়নি। শেষ পর্যন্ত ইঁদুরটি নিজে থেকেই পালিয়ে গেলেও বড় ভাইয়ের টিটকারির মুখে পড়তে হয় লেখকদের।
লেখকের ঘরে একটি নেংটি ইঁদুর উৎপাত করছিল এবং লেখক ও তার ছোট ভাই মিলে সেটি তাড়ানোর চেষ্টা করেন। ঘরের ভেতর এই সৌখিন ইঁদুরের দৌরাত্ম্য যে কতটা ভয়াবহ হতে পারে, সেটা কয়েক দিন ধরে হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি বলে জানান লেখক।
ইঁদুর তাড়ানোর এই প্রচেষ্টায় কোনো ত্রুটি রাখেননি তারা। ইঁদুর তাড়ানোর জন্য চানাচুর, দুধ-কলা ও বিষ কেনা হয়েছিল কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। নানা পদের খাবার ও বিষ দিয়েও যখন ইঁদুরটিকে কাবু করা যাচ্ছিল না, তখন তারা আরও আক্রমণাত্মক পথ বেছে নেন।
খাবার ও বিষে কাজ না হওয়ায় লোহার রড ও ক্রিকেট ব্যাট নিয়ে ইঁদুরটিকে মারার চেষ্টা করা হলেও সেটি পালিয়ে যায়। এতসব আয়োজন এবং অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ধাওয়া দেওয়ার পরও চতুর ইঁদুরটি খুব সহজেই পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
অবশেষে নানা নাটকীয়তার পর ইঁদুরটি ঘর ছেড়ে পালিয়ে গেলেও বড় ভাই লেখকদের নিয়ে টিটকারি করেন। বড় ভাইয়ের মতে, যার যে কাজে অভ্যাস নেই, তার সেই কাজ না করাই ভালো! আর করতে গেলে তার অবস্থা ইঁদুরের মতোই হবে!
এই পুরো ঘটনার প্রেক্ষিতে ছোট ভাই একটি দার্শনিক মন্তব্য করেন। ছোট ভাই বলেন, ভাই, বর্তমান সমাজেও এমন নেংটি ইঁদুরের দৌরাত্ম্য সর্বত্রই!
যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কা অঙ্গরাজ্যে কনাগ্রা ব্র্যান্ডস ৪২৯ ফুট ৫ দশমিক ৪ ইঞ্চির স্লিম জিম তৈরি করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছে। পূর্বের রেকর্ডের তুলনায় এটি ১১৬ ফুট বড়। গিনেস কর্র্তৃপক্ষের বিচারক এটি যাচাই ও পরিমাপ করেছেন।
১৭ সেপ্টেম্বর লন্ডনের অলিম্পিয়া হলে এইচঅ্যান্ডএমের ফ্যাশন শো চলাকালে পশম ব্যবহারের প্রতিবাদ জানান পেটার কর্মীরা। নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের বের করে দিলে শো চলতে থাকে। এর আগে নিউইয়র্কেও কসের শোতে এমন বিক্ষোভ হয়েছিল।
বান্দরবান ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে গতকাল শুক্রবার পোহ-চগ্রু সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। ১১টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সামগ্রী ও লোকজ জ্ঞান নিয়ে আয়োজিত এই প্রদর্শনী আগামীকাল রোববার পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।