বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিজ্ঞাপন
সিলেটের বিছনাকান্দিতে বাড়ছে পর্যটকদের ভিড়
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জনপ্রিয় জল-পাথরের পর্যটনকেন্দ্র বিছনাকান্দিতে পর্যটকদের ভিড় আবার বাড়ছে। যোগাযোগব্যবস্থার কিছুটা উন্নতির ফলে দর্শনার্থীরা আগের তুলনায় সহজে সেখানে যাতায়াত করতে পারছেন।
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় অবস্থিত বিছনাকান্দি দেশের অন্যতম একটি আকর্ষণীয় জল-পাথরের পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত এই স্থানটিতে দেশের নানা প্রান্ত থেকে প্রকৃতিপ্রেমী ও ভ্রমণপিপাসুরা ছুটে আসেন।
তবে দীর্ঘদিন ধরে এই পর্যটনকেন্দ্রটির পরিচিতি এবং আকর্ষণ কিছুটা ম্লান হয়ে পড়েছিল। এর পেছনে মূল কারণ ছিল যাতায়াত ব্যবস্থার অত্যন্ত নাজুক দশা। যোগাযোগ ব্যবস্থার বেহাল অবস্থার কারণে পর্যটকরা সহজে সেখানে পৌঁছাতে পারতেন না।
যোগাযোগের সমস্যার পাশাপাশি বিছনাকান্দির পরিবেশ ও সৌন্দর্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল অবৈধ পাথর উত্তোলন। এই অবৈধ কার্যক্রমের ফলে এখানকার প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি পর্যটকদের আনাগোনাও নাটকীয়ভাবে কমে গিয়েছিল।
প্রথম আলোর তথ্যানুযায়ী, বিভিন্ন জটিলতার কারণে একসময় বিছনাকান্দিতে পর্যটকদের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে হ্রাস পেয়েছিল। যোগাযোগ ব্যবস্থার বেহাল দশা এবং পরিবেশ ধ্বংসের ফলে পর্যটনমুখী মানুষেরা এই স্থান থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছিলেন।
তবে বর্তমান পরিস্থিতি ধীরে ধীরে বদলাতে শুরু করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিছনাকান্দির যোগাযোগব্যবস্থা আগের তুলনায় কিছুটা ভালো হয়েছে। যাতায়াত সহজ হওয়ার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে সার্বিক পর্যটন পরিস্থিতিতে।
যোগাযোগ ব্যবস্থার এই উন্নতির ফলে বর্তমানে বিছনাকান্দিতে পর্যটকদের সংখ্যা আবার বাড়তে শুরু করেছে। নতুন করে দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠছে এই জল-পাথরের পর্যটনকেন্দ্রটি।
যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কা অঙ্গরাজ্যে কনাগ্রা ব্র্যান্ডস ৪২৯ ফুট ৫ দশমিক ৪ ইঞ্চির স্লিম জিম তৈরি করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছে। পূর্বের রেকর্ডের তুলনায় এটি ১১৬ ফুট বড়। গিনেস কর্র্তৃপক্ষের বিচারক এটি যাচাই ও পরিমাপ করেছেন।
১৭ সেপ্টেম্বর লন্ডনের অলিম্পিয়া হলে এইচঅ্যান্ডএমের ফ্যাশন শো চলাকালে পশম ব্যবহারের প্রতিবাদ জানান পেটার কর্মীরা। নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের বের করে দিলে শো চলতে থাকে। এর আগে নিউইয়র্কেও কসের শোতে এমন বিক্ষোভ হয়েছিল।
বান্দরবান ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে গতকাল শুক্রবার পোহ-চগ্রু সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। ১১টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সামগ্রী ও লোকজ জ্ঞান নিয়ে আয়োজিত এই প্রদর্শনী আগামীকাল রোববার পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।