সরকারি হাসপাতালের নজরদারিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষ টিম গঠন
দেশের সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের জন্য ৬৯ জন কর্মকর্তাকে নিয়ে বিশেষ মনিটরিং টিম গঠন করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ থেকে রবিবার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোর চিকিৎসাসেবা ও শৃঙ্খলা জোরদার করতে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান নিয়মিত পরিদর্শন ও মনিটরিংয়ের জন্য বিশেষ টিম গঠন করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। রবিবার স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ থেকে হাসপাতাল পরিদর্শনের বিষয়ে এই সংক্রান্ত একটি সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দেশজুড়ে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে নজরদারি বাড়াতে এই বিশেষ পরিদর্শক দল কাজ করবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এই উদ্যোগে বিভিন্ন পদমর্যাদার ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাদের সরাসরি মাঠে নামানো হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের এই মনিটরিং ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য হলো চিকিৎসালয়গুলোতে সেবার মান বৃদ্ধি এবং দাপ্তরিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।
নতুন এই পদক্ষেপে অতিরিক্ত সচিব থেকে শুরু করে সহকারী সচিব পদমর্যাদার মোট ৬৯ জন কর্মকর্তাকে সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই ৬৯ জন কর্মকর্তা দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান, বিশেষায়িত হাসপাতাল এবং মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলো নিয়মিত পরিদর্শন করবেন।
নির্ধারিত দায়িত্বের অংশ হিসেবে এই ৬৯ জন কর্মকর্তা হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম খতিয়ে দেখবেন। এর মধ্যে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ডিজিটাল হাজিরা বা উপস্থিতি নিয়মিত যাচাই করা হবে, যা দীর্ঘদিন ধরে নজরদারির মধ্যে রাখার দাবি জানিয়ে আসছিল সংশ্লিষ্ট মহল।
নজরদারি কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে প্রজ্ঞাপনে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মনোনীত প্রতিটি কর্মকর্তাকে প্রতি মাসে কমপক্ষে একবার নির্ধারিত হাসপাতাল বা স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করতে হবে।
পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। নিয়ম অনুযায়ী, পরিদর্শনের বিবরণী প্রস্তুত করে প্রতি মাসের ৭ তারিখের মধ্যে তা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রতিবেদন আকারে জমা দিতে হবে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এই কঠোর মনিটরিংয়ের মাধ্যমে সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকদের উপস্থিতি ও সেবার মান পরিস্থিতির ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ আরও সহজে ও নির্ভুলভাবে স্বাস্থ্যসেবা পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।








