সম্পর্ক জোরদারে পূর্ণাঙ্গ দূতাবাস খুলবে ইসরায়েল ও মরক্কো
নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে কূটনৈতিক মিশনকে পূর্ণাঙ্গ দূতাবাসে উন্নীত করতে ও রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল ও মরক্কো। জাতিসংঘে মার্কিন মিশনের মধ্যস্থতায় এই সিদ্ধান্ত হয়। এছাড়া দুই দেশ সরাসরি বিমান চলাচল পুনরায় চালু এবং দুটি চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়েও সম্মত হয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক শহরে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরায়েল ও মরক্কো। ১৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশ তাদের বর্তমান কূটনৈতিক মিশনকে পূর্ণাঙ্গ দূতাবাসে উন্নীত করতে এবং সেখানে রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করতে সম্মত হয়েছে।
জাতিসংঘে মার্কিন মিশনের মধ্যস্থতায় এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে মধ্যস্থতা করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ। বৈঠকে ইসরায়েল ও মরক্কোর প্রতিনিধিদলের পাশাপাশি কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হিসেবে গিডিয়ন সার, নাসের বুরিতা এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোও আলোচনার প্রেক্ষাপটে এসেছে।
বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে চলতি বছরের শেষ নাগাদ দুটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সম্পন্ন হবে। চুক্তি দুটি হলো—'বিনিময় সুরক্ষা' সংক্রান্ত চুক্তি এবং 'দ্বৈত করারোপ এড়ানো' সংক্রান্ত চুক্তি।
এ ছাড়া দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ ও যাতায়াত সহজ করার লক্ষ্যে সরাসরি বিমান চলাচল পুনরায় চালুর বিষয়েও উভয় দেশ একমত হয়েছে। এর মাধ্যমে দুই দেশের সাধারণ নাগরিক ও ব্যবসায়ীদের যাতায়াত আরও সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই অগ্রগতির বিষয়ে জাতিসংঘে মার্কিন মিশনের মাধ্যমে তিন দেশের পক্ষ থেকে একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত ওই যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'মরস্কো ও ইসরায়েলের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ, শান্তিপূর্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা উভয় দেশেরই অভিন্ন স্বার্থের অনুকূলে এবং এটি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির ধারাকে আরও এগিয়ে নেবে।'
নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকের মধ্য দিয়ে ইসরায়েল ও মরক্কোর সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো, যা আগামী দিনে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি ও আঞ্চলিক কূটনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।








