বিশ্বকাপ ফাইনাল নিয়ে আগাম ঘোষণায় মরক্কোর প্রধানমন্ত্রীর অসন্তোষ
২০৩০ বিশ্বকাপের ফাইনাল কাসাব্লাঙ্কায় হবে বলে আগাম ঘোষণা দেওয়ায় অসন্তুষ্ট প্রকাশ করেছেন মরক্কোর প্রধানমন্ত্রী আজিজ আখানুশ। ফিফা এখনো কোনো ভেন্যু চূড়ান্ত করেনি।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

২০৩০ সালের ফিফা বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করার কথা রয়েছে মরক্কো, স্পেন ও পর্তুগালের। এই মেগা টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ভেন্যু চূড়ান্ত করেনি। ফিফার এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার আগেই একটি আগাম ঘোষণা ঘিরে মরক্কোর রাজনৈতিক ও ফুটবল অঙ্গনে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
মরক্কোর ফুটবল ফেডারেশনের পক্ষ থেকে ২০৩০ বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচটি কাসাব্লাঙ্কায় হবে বলে আগাম ঘোষণা দেওয়া হয়। আর এই আগাম ঘোষণাকে কেন্দ্র করেই মূলত আপত্তি ও অসন্তুষ্ট প্রকাশ করেছেন মরক্কোর প্রধানমন্ত্রী আজিজ আখানুশ। ফিফার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই এমন ঘোষণası দেশের জন্য কতটা সমীচীন, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে।
এই পুরো বিষয়টি ঘিরে মরক্কোর প্রধানমন্ত্রী আজিজ আখানুশ এবং দেশটির ফুটবল ফেডারেশনের প্রভাবশালী কর্মকর্তা ফৌজি লেকজার নামের বিষয়টি সামনে এসেছে। ফৌজি লেকজার ও সংশ্লিষ্ট মহོলের আগাম মন্তব্যের কারণেই প্রধানমন্ত্রী আজিজ আখানুশ নিজের অসন্তুষ্টির কথা প্রকাশ করেন। অথচ ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো কিংবা ফিফা কর্র্তৃপক্ষের তরফ থেকে ফাইনাল ম্যাচের ভেন্যু নিয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিলমোহর দেওয়া হয়নি।
এদিকে ২০৩০ বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজনের প্রস্তুতি হিসেবে মরক্কোতে বিশাল অবকাঠামোগত কাজ চলছে। দেশটির প্রস্তাবিত ১ লাখ ১৫ হাজার আসনের একটি বিশাল স্টেডিয়াম নির্মাণের কাজ চলছে জোরেশোরে। এই বিশাল ধারণক্ষমতার স্টেডিয়ামটি নির্মিত হলে তা বিশ্বকাপের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্টেডিয়ামটির নির্মাণকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্যও পাওয়া গেছে। মরক্কোর প্রস্তাবিত এই ১ লাখ ১৫ হাজার আসনের স্টেডিয়াম নির্মাণের কাজ চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত প্রায় ৩০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাকি কাজ শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও শ্রমিকরা।
তবে স্টেডিয়ামের কাজ সন্তোষজনকভাবে এগোলেও ফাইনাল ভেন্যু নিয়ে ফৌজি লেকজারের আগাম ঘোষণা এবং প্রধানমন্ত্রী আজিজ আখানুশের অসন্তুষ্টি প্রকাশ মরক্কোর ফুটবল মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। ফিফা যখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে, তখন ১ লাখ ১৫ হাজার আসনের এই স্টেডিয়ামটি ফাইনালের ভেন্যু হিসেবে বিবেচনায় আসে কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।








