মূল কনটেন্টে যান
ব্রেকিং
বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
BDRevise24 — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — HEADER

ল্যাবরেটরি বা লিবিয়া থেকে ১৭৪ বাংলাদেশির দেশে ফেরা

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার সহায়তায় লিবিয়ার তাজৌরা আটককেন্দ্র থেকে ১৭৪ জন বাংলাদেশি নাগরিক বিশেষ ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন। মঙ্গলবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁরা পৌঁছান।

বিডিরিভাইস২৪ ডেস্ক

প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

ল্যাবরেটরি বা লিবিয়া থেকে ১৭৪ বাংলাদেশির দেশে ফেরা

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — ARTICLE_TOP

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহায়তায় লিবিয়া থেকে ১৭৪ জন বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছেন। মঙ্গলবার বুরাক এয়ারের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তাঁরা ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। লিবিয়ার ত্রিপোলির তাজৌরা আটককেন্দ্রে বন্দি ছিলেন তাঁরা।

ফিরে আসা যাত্রীদের মধ্যে মশিউর রহমান ও সোহেল মিয়া প্রথম আলোর সঙ্গে কথা বলেন, যখন তাঁরা গাবতলী বা গুলস্থানের পথে ছিলেন। মশিউর রহমান জানান, তিনি দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে লিবিয়ায় পৌঁছান। মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা, কুয়েত ও মিসর হয়ে ৯ মাস পর তিনি লিবিয়ায় যান। দালালের মাধ্যমে তাঁর পরিবারকে ৩২ লাখ টাকা দিতে হয়েছিল। সমুদ্রে ৩০ বাংলাদেশি ও ৪ মিসরীয়কে নিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল। পরে লিবিয়ার বাহিনীর হাতে আটক হয়ে তিনি তাজৌরা আটককেন্দ্রে বন্দী হন এবং সেখানে ৪৫ দিন বন্দী ছিলেন। মশিউর রহমান বলেন, ২০০ জনের ধারণক্ষমতার একটি কক্ষে প্রায় ৫০০ জনকে রাখা হয়েছিল। তাঁর ভাষায়, 'লম্বা লম্বা পাইপ তাদের হাতে থাকত। কথা নাই বার্তা নাই ধুমধুাম মাইরা দিত।'

বন্দী জীবনের কষ্ট বর্ণনা করে মশিউর রহমান আরও বলেন, 'এই খাবার না খাইয়া কোনো রাস্তা ছিল না। কারও পেটই ভরত না ভাই। খাবারের সময় কেউ না কেউ কান্না করত। আর বাকিরা সান্ত্বনা দিত।' বিমানটিতে ওঠার পর তাঁর অনুভূতির কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, 'ভাতের দিকেই চাইয়া ছিলাম ভাই, মুখে কী দিব? বিমানে ভাত দেইখাই পেট ভরে গেছে।'

আরেক প্রত্যাবর্তনকারী সোহেল মিয়া জানান, তিনি ১৪ মাস ধরে মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা, কুয়েত ও মিসর হয়ে লিবিয়ায় পৌঁছান। এই যাত্রার জন্য তাঁকে ৩৯ লাখ টাকা খরচ করতে হয়েছে। সৈন্যদের দ্বারা আটক হওয়ার পর তাঁকেও তাজৌরা আটককেন্দ্রে রাখা হয়। ৪৮ দিন পার করে তিনি দেশে ফিরেছেন।

সোহেল মিয়া কষ্টের দিনগুলোর কথা স্মরণ করে বলেন, 'ওইটা কি ঈদের দিন? সারা দিন কান্না করছি আর আল্লাহরে কইছি, মাবুদ, আমারে দেশ না দেখাইয়া নিয়ো না।' ভবিষ্যতের পরিকল্পনা নিয়ে তিনি জানান, 'আইওএম বলেছে, কিছু টাকা পাব আমরা। যদি দেশে একটা অটোরিকশার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়, খেটেখুটে দেনা পরিশোধ করব। আর বিদেশে যেতে চাই না। পরিবার নিয়ে কষ্ট করে চলব, কিন্তু বিদেশের নাম আর নেব না।'

এই পুরো প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং লিবিয়া থেকে আটকে থাকা নাগরিকদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করে। বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, আইওএম ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় এই ১৭৪ জন বাংলাদেশি নাগরিক অবশেষে তাঁদের স্বজনদের কাছে ফিরে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — IN_ARTICLE

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য

মডারেশনের পর প্রকাশিত হবে।

সম্পর্কিত খবর

সব দেখুন
সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন-ভাতার প্রজ্ঞাপন জারি ব্রেকিং
বাংলাদেশ

সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন-ভাতার প্রজ্ঞাপন জারি

সরকার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন-ভাতার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। অর্থ বিভাগ শনিবার ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ নামে এই প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

১ মিনিট পড়া
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের ৭ নম্বর ফেরিঘাট বন্ধ
বাংলাদেশ

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের ৭ নম্বর ফেরিঘাট বন্ধ

নদীতে প্রবল স্রোত ও নাব্য সংকটের কারণে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া প্রান্তের ৭ নম্বর ফেরিঘাট বন্ধ রয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকে শনিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ফেরি ভিড়তে না পারায় এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।

১ মিনিট পড়া
রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে চিকিৎসকদের সময়মতো উপস্থিতির কড়া নির্দেশ
বাংলাদেশ

রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে চিকিৎসকদের সময়মতো উপস্থিতির কড়া নির্দেশ

রাজবাড়ীর ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসকদের যথাসময়ে উপস্থিতি ও দায়িত্ব পালন নিশ্চিত করতে কঠোর নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। গত ১৭ সেপ্টেম্বর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। নিয়ম না মানলে শোকজ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

১ মিনিট পড়া

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — FOOTER