মূল কনটেন্টে যান
ব্রেকিং
BDRevise24 — Trusted & Targeted News

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — HEADER

রাতের আকাশে শুক্র গ্রহের অতিরিক্ত উজ্জ্বলতার বৈজ্ঞানিক কারণ

রাতের আকাশে চাঁদের পর সবচেয়ে উজ্জ্বল বস্তু হলো শুক্র গ্রহ। এটি রাতের আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্রটির চেয়ে প্রায় ১০০ গুণ বেশি উজ্জ্বল। বিজ্ঞানীদের মতে, বিশেষ আলোকীয় ঘটনা এবং বায়ুমণ্ডলের মেঘের কারণে এই উজ্জ্বলতা তৈরি হয়।

বিডিরিভাইস২৪ ডেস্ক

প্রকাশ: · মিনিট পড়া

রাতের আকাশে শুক্র গ্রহের অতিরিক্ত উজ্জ্বলতার বৈজ্ঞানিক কারণ
ছবি: প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — ARTICLE_TOP

রাতের আকাশে চাঁদের ঠিক পরেই সবচেয়ে উজ্জ্বল বস্তু হিসেবে দেখা যায় শুক্র গ্রহকে। এটি রাতের আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্রটির চেয়ে প্রায় ১০০ গুণ বেশি উজ্জ্বল। জ্যোতির্বিজ্ঞানের উজ্জ্বলতা মাপার স্কেলে শুক্রের মান মাইনাস ৪.১৪। সূর্য থেকে ১০ কোটি ৮০ লাখ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই গ্রহটির এমন অতিরিক্ত উজ্জ্বলতার পেছনে রয়েছে সুনির্দিষ্ট কিছু বৈজ্ঞানিক কারণ।

ইউনিভার্সিটি অব উইসকনসিন-ম্যাডিসনের স্পেস সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং সেন্টারের গবেষক এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রথম আলোর মাধ্যমে জানা যায় যে, শুক্র গ্রহের অ্যালবেডোর মান ০.৭৬। এর অর্থ হলো এই গ্রহটি সূর্যালোকের প্রায় ৭৬ শতাংশই মহাকাশে প্রতিফলিত করে। তুলনামূলকভাবে পৃথিবীর আলো প্রতিফলনের ক্ষমতা মাত্র ৩০ শতাংশ এবং চাঁদের অ্যালবেডো হলো মাত্র ০.০৭।

বিজ্ঞানীদের তথ্য অনুযায়ী, শনির বরফে ঢাকা উপগ্রহ এনসেলাডাসের অ্যালবেডো শুক্রের চেয়ে কিছুটা বেশি এবং এর মান প্রায় ০.৮০। তা সত্ত্বেও শনির ওই উপগ্রহটির চেয়ে শুক্র গ্রহকে পৃথিবী থেকে অনেক বেশি উজ্জ্বল দেখায়। এর মূল কারণ হলো শনি গ্রহ ও তার উপগ্রহগুলো সূর্য থেকে অনেক দূরে অবস্থিত, অন্যদিকে শুক্র গ্রহ তুলনামূলকভাবে অনেক কাছাকাছি অবস্থান করছে।

শুক্র গ্রহের এই উচ্চ প্রতিফল ক্ষমতার পেছনে এর বায়ুমণ্ডলের বিশেষ গঠন দায়ী। এই গ্রহটির ওপরিভাগ থেকে ৪৮ থেকে ৭০ কিলোমিটার উঁচুতে সালফিউরিক অ্যাসিডের অতিসূক্ষ্ম কণা দিয়ে তৈরি একটি ঘন মেঘের স্তর রয়েছে। এই মেঘের স্তরটি সূর্যালোক প্রতিফলনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

এই বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়ে অ্যান্থনি মালামা বলেন, 'এই বিশেষ মুহূর্তে শুক্রের বায়ুমণ্ডলে ভাসমান সালফিউরিক অ্যাসিডের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণাগুলো সূর্যের আলোকে সোজা পৃথিবীর দিকে প্রতিফলিত করে। বিজ্ঞানের ভাষায় এই বিশেষ আলোকীয় ঘটনাটিকে বলা হয় গ্লোরি। আকাশে আমরা যে রংধনু দেখতে পাই, সেটিও ঠিক একই ধরনের আলোকীয় ঘটনা।'

সঞ্জয় লিমায়ে ও অ্যান্থনি মালামার মতো গবেষকদের গবেষণায় শুক্র গ্রহের এই অনন্য উজ্জ্বলতার বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়েছে। গ্রহটির বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত সালফিউরিক অ্যাসিডের কণার কারণে ঘটিত এই গ্লোরি নামক আলোকীয় ঘটনা এবং উচ্চ অ্যালবেডো মানের সমন্বয়ের ফলেই পৃথিবী থেকে রাতের আকাশে শুক্র গ্রহকে এত বেশি উজ্জ্বল দেখায়।

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — IN_ARTICLE

খবরটি পড়ে আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

সব দেখুন
ইঁদুরের মস্তিষ্কের কার্যকলাপ বিশ্লেষণ করে সংক্ষিপ্ত ভিডিও পুনর্গঠন
বিজ্ঞান

ইঁদুরের মস্তিষ্কের কার্যকলাপ বিশ্লেষণ করে সংক্ষিপ্ত ভিডিও পুনর্গঠন

ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের গবেষকরা ইঁদুরের মস্তিষ্কের কার্যকলাপ ব্যবহার করে সংক্ষিপ্ত ভিডিও সফলভাবে পুনর্গঠন করেছেন। ই-লাইফ জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণায় ভিজ্যুয়াল কর্টেক্সের একক মস্তিষ্কের কোষ থেকে রেকর্ড করা ডেটা ব্যবহার করা হয়েছে।

১ মিনিট পড়া
নিকন স্মল ওয়ার্ল্ড ইন মোশন প্রতিযোগিতায় চীনা গবেষকের জয়
বিজ্ঞান

নিকন স্মল ওয়ার্ল্ড ইন মোশন প্রতিযোগিতায় চীনা গবেষকের জয়

বিশ্বখ্যাত নিকন স্মল ওয়ার্ল্ড ইন মোশন প্রতিযোগিতায় এ বছর বিজয়ী হয়েছেন চীনের সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ড. নিং জু। বিরল জিনগত রোগে আক্রান্ত এক শিশুর শ্বাসনালীর সিলিয়া বা ক্ষুদ্র রোম সদৃশ কাঠামোর ভিডিও ধারণ করে তিনি এই সাফল্য অর্জন করেন।

১ মিনিট পড়া
জাপানের সুপার কম্পিউটারে মিলল ‘লিটল রেড ডট’ রহস্যের ইঙ্গিত
বিজ্ঞান

জাপানের সুপার কম্পিউটারে মিলল ‘লিটল রেড ডট’ রহস্যের ইঙ্গিত

জাপানের অতেরুই থ্রি সুপার কম্পিউটারে চালানো সিম্যুলেশনে দেখা গেছে, জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের দেখা ‘লিটল রেড ডট’ বা ক্ষুদ্র লাল বিন্দুগুলো আদি মহাবিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল কৃষ্ণগহ্বর হতে পারে। ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট ফর অ্যাস্ট্রোফিজিকসের গবেষক সানমিওন চন এই গবেষণা পরিচালনা করেছেন।

১ মিনিট পড়া
মেঘনার চরে জলচর পরিযায়ী পাখির জরিপে ১৪ সংকটাপন্ন প্রজাতি শনাক্ত
বিজ্ঞান

মেঘনার চরে জলচর পরিযায়ী পাখির জরিপে ১৪ সংকটাপন্ন প্রজাতি শনাক্ত

নোভেম্বর ২০২৫ থেকে এপ্রিল ২০২৬ মেয়াদে মেঘনার মোহনা ও এর চরসমূহে পরিচালিত জরিপে ৫২ প্রজাতির জলচর পাখি নথিভুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে বৈশ্বিকভাবে সংকটাপন্ন ১৪ প্রজাতির পাখি শনাক্ত করা হয়েছে এবং বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে একটি ১০ বছরব্যাপী সংরক্ষণ কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে।

১ মিনিট পড়া

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — FOOTER