যথাযথ মর্যাদায় পবিত্র ১২ রবিউল আউয়াল উদযাপিত
পবিত্র ১২ রবিউল আউয়াল মুসলিম উম্মাহর জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। এই দিনে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাত দিবস বিশ্বজুড়ে পালিত হয়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

পবিত্র ১২ রবিউল আউয়াল হিজরি বর্ষের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। এই বিশেষ দিনটিতে বিশ্বজুড়ে মুসলিম সম্প্রদায় নানা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে থাকে।
ইতিহাসের বিবরণ অনুযায়ী, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দে তৎকালীন আরব ভূখণ্ডের মক্কা নগরীতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তার আগমন মানবজাতির জন্য এক নতুন আলোর বার্তা নিয়ে এসেছিল।
মক্কা নগরীতে জন্মগ্রহণের পর তিনি তার বর্ণাঢ্য ও বরকতময় জীবনের একটি দীর্ঘ সময় মক্কা এবং মদিনা নগরীতে অতিবাহিত করেন। তার পবিত্র কর্মজীবন ও আদর্শ সমগ্র মানবজাতির জন্য অনুসরণীয় হয়ে রয়েছে।
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) তার সুদীর্ঘ জীবনে ইসলাম প্রচার এবং মানবকল্যাণে কাজ করে গেছেন। ঐতিহাসিক তথ্যানুযায়ী, তিনি দুনিয়াতে মোট ৬৩ বৎসর জীবনকাল অতিবাহিত করেছিলেন।
তার এই ৬৩ বছরের জীবনকাল মানবজাতিকে শান্তি, সাম্য, ন্যায়বিচার ও মানবতার শিক্ষা দেয়। তার জীবদ্দশায় মক্কা ও মদিনা নগরী ইসলামের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছিল।
বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে ১২ রবিউল আউয়ালের দিনটিতে মহানবীর জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। তার আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমেই ব্যক্তি ও জাতীয় জীবনের সংকট উত্তরণ সম্ভব বলে মনে করেন ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসীরা।








