মূল কনটেন্টে যান
ব্রেকিং
বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
BDRevise24 — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — HEADER

মাস্টারশেফ ইউকে-র সেমিফাইনালে সাবিনা খান

যুক্তরাজ্যের রান্নাবিষয়ক রিয়েলিটি টিভি শো ‘মাস্টারশেফ ইউকে’র ২২তম আসরের সেমিফাইনালে পৌঁছানোর পর ১৮ আগস্ট দেশে ফিরেছেন সাবিনা খান। প্রথম আলো সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

বিডিরিভাইস২৪ ডেস্ক

প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

মাস্টারশেফ ইউকে-র সেমিফাইনালে সাবিনা খান

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — ARTICLE_TOP

যুক্তরাজ্যের জনপ্রিয় রান্নাবিষয়ক রিয়েলিটি টিভি শো ‘মাস্টারশেফ ইউকে’র ২২তম আসরে দুর্দান্ত সাফল্য অর্জন করেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সাবিনা খান। এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে তিনি সেমিফাইনালে পৌঁছানোর গৌরব অর্জন করেছেন। তাঁর এই সফল যাত্রার পর তিনি গত ১৮ আগস্ট দেশে ফিরেছেন। সুরাইয়া সরওয়ার, মুনাওয়ার শফিক ও KabirHossain-এর মতো সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র এবং প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে এই রান্নার প্রতিযোগিতার নানা দিক ও তাঁর এই অনন্য অর্জনের বিবরণ জানা যায়।

‘মাস্টারশেফ ইউকে’র এবারের আসরের প্রথম পর্যায়ে অংশ নেওয়ার জন্য ২০ থেকে ৩০ হাজার মানুষ আবেদন করেছিলেন। এত বিপুল সংখ্যক প্রতিযোগীর মধ্য থেকে মাত্র ২০০ জনকে বাছাই করা হয় এবং পরবর্তী ধাপে সেখান থেকে ৪৮ জনকে নির্বাচিত করা হয়। এই কঠোর প্রতিযোগিতামূলক বাছাই প্রক্রিয়া পেরিয়ে মূল পর্বে নিজেদের রন্ধনশৈলী প্রদর্শনের সুযোগ পান প্রতিযোগীরা।

প্রতিযোগিতার অগ্রগতির সাথে সাথে লড়াই আরও কঠিন হয়ে ওঠে। সেমিফাইনালে পৌঁছানোর পর প্রতিযোগীদের বিশাল এক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়। এই বিষয়ে সাবিনা খান জানান, "সেমিফাইনালে আমাদের ১০০ জনের জন্য রান্না করতে হয়েছিল।" এত বড় একটি দলের জন্য খাবার প্রস্তুত করা এবং বিচারকদের মন জয় করা বেশ বড় একটি কাজের ছিল।

এই দীর্ঘ ও কঠিন যাত্রায় পরিবার থেকে তিনি দারুণ অনুপ্রেরণা পেয়েছেন। বিশেষ করে প্রতিযোগিতার সময়ে তাঁর সন্তান তাঁকে উৎসাহ দিয়ে বলেছিল, "মা, তুমি ভালোমতো রান্না করো।" সন্তানের এই সরল ও আন্তরিক অনুপ্রেরণাই তাঁকে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে বলে জানা যায়।

প্রতিযোগিতার বিভিন্ন পর্বে সাবিনা খান তাঁর রন্ধননৈপুণ্যের স্বাক্ষর রাখেন। বিশেষ করে তিনি তাঁর তৈরি ‘সালাদ অব হারমোনি’র জন্য বিচারক ও খাদ্যসমালোচকদের কাছ থেকে বিশেষ প্রশংসা অর্জন করতে সক্ষম হন। তাঁর এই খাবারটি বিচারকদের মন জয় করেছিল।

যুক্তরাজ্যে সাবিনা খানের কার্যক্রম কেবল এই রিয়েলিটি শোতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। তাঁর রান্নার নানা আয়োজনের মধ্যে সাপার ক্লাবের কথাও জানা যায়। এই সাপার ক্লাবে সাধারণত ১২ থেকে ২৫ জন অতিথি আসেন এবং সেখানে অংশ নেওয়া প্রত্যেক অতিথির খাবারের জন্য খরচ পড়ে প্রায় ৭০ পাউন্ড।

যুক্তরাজ্যের রান্না বিষয়ক এই জনপ্রিয় প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করার পর সাবিনা খান ১৮ আগস্ট দেশে ফেরেন। ‘মাস্টারশেফ ইউকে’র ২২তম আসরে তাঁর এই সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছানো এবং ‘সালাদ অব হারমোনি’ দিয়ে বিচারকদের প্রশংসা পাওয়ার ঘটনাটি রন্ধনশিল্পের দুনিয়ায় এক উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — IN_ARTICLE

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য

মডারেশনের পর প্রকাশিত হবে।

সম্পর্কিত খবর

সব দেখুন
শেষ হচ্ছে সিরামিকশিল্পী আনিসুল হকের একক প্রদর্শনী
জীবনযাপন

শেষ হচ্ছে সিরামিকশিল্পী আনিসুল হকের একক প্রদর্শনী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের জয়নুল গ্যালারিতে চলছে সিরামিকশিল্পী মো. আনিসুল হকের তৃতীয় একক প্রদর্শনী। আজ ২২ সেপ্টেম্বর এই প্রদর্শনীর শেষ দিন।

১ মিনিট পড়া
যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি হলো বিশ্বের দীর্ঘতম মাংসের স্ন্যাকস
জীবনযাপন

যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি হলো বিশ্বের দীর্ঘতম মাংসের স্ন্যাকস

যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কা অঙ্গরাজ্যে কনাগ্রা ব্র্যান্ডস ৪২৯ ফুট ৫ দশমিক ৪ ইঞ্চির স্লিম জিম তৈরি করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছে। পূর্বের রেকর্ডের তুলনায় এটি ১১৬ ফুট বড়। গিনেস কর্র্তৃপক্ষের বিচারক এটি যাচাই ও পরিমাপ করেছেন।

১ মিনিট পড়া
লন্ডনে এইচঅ্যান্ডএমের শোতে পেটার পশমবিরোধী বিক্ষোভ
জীবনযাপন

লন্ডনে এইচঅ্যান্ডএমের শোতে পেটার পশমবিরোধী বিক্ষোভ

১৭ সেপ্টেম্বর লন্ডনের অলিম্পিয়া হলে এইচঅ্যান্ডএমের ফ্যাশন শো চলাকালে পশম ব্যবহারের প্রতিবাদ জানান পেটার কর্মীরা। নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের বের করে দিলে শো চলতে থাকে। এর আগে নিউইয়র্কেও কসের শোতে এমন বিক্ষোভ হয়েছিল।

১ মিনিট পড়া
বান্দরবানে শুরু হয়েছে তিন দিনের পোহ-চগ্রু সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী
জীবনযাপন

বান্দরবানে শুরু হয়েছে তিন দিনের পোহ-চগ্রু সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী

বান্দরবান ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে গতকাল শুক্রবার পোহ-চগ্রু সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। ১১টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সামগ্রী ও লোকজ জ্ঞান নিয়ে আয়োজিত এই প্রদর্শনী আগামীকাল রোববার পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

১ মিনিট পড়া

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — FOOTER