মাস্টারশেফ ইউকে-র সেমিফাইনালে সাবিনা খান
যুক্তরাজ্যের রান্নাবিষয়ক রিয়েলিটি টিভি শো ‘মাস্টারশেফ ইউকে’র ২২তম আসরের সেমিফাইনালে পৌঁছানোর পর ১৮ আগস্ট দেশে ফিরেছেন সাবিনা খান। প্রথম আলো সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

যুক্তরাজ্যের জনপ্রিয় রান্নাবিষয়ক রিয়েলিটি টিভি শো ‘মাস্টারশেফ ইউকে’র ২২তম আসরে দুর্দান্ত সাফল্য অর্জন করেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সাবিনা খান। এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে তিনি সেমিফাইনালে পৌঁছানোর গৌরব অর্জন করেছেন। তাঁর এই সফল যাত্রার পর তিনি গত ১৮ আগস্ট দেশে ফিরেছেন। সুরাইয়া সরওয়ার, মুনাওয়ার শফিক ও KabirHossain-এর মতো সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র এবং প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে এই রান্নার প্রতিযোগিতার নানা দিক ও তাঁর এই অনন্য অর্জনের বিবরণ জানা যায়।
‘মাস্টারশেফ ইউকে’র এবারের আসরের প্রথম পর্যায়ে অংশ নেওয়ার জন্য ২০ থেকে ৩০ হাজার মানুষ আবেদন করেছিলেন। এত বিপুল সংখ্যক প্রতিযোগীর মধ্য থেকে মাত্র ২০০ জনকে বাছাই করা হয় এবং পরবর্তী ধাপে সেখান থেকে ৪৮ জনকে নির্বাচিত করা হয়। এই কঠোর প্রতিযোগিতামূলক বাছাই প্রক্রিয়া পেরিয়ে মূল পর্বে নিজেদের রন্ধনশৈলী প্রদর্শনের সুযোগ পান প্রতিযোগীরা।
প্রতিযোগিতার অগ্রগতির সাথে সাথে লড়াই আরও কঠিন হয়ে ওঠে। সেমিফাইনালে পৌঁছানোর পর প্রতিযোগীদের বিশাল এক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়। এই বিষয়ে সাবিনা খান জানান, "সেমিফাইনালে আমাদের ১০০ জনের জন্য রান্না করতে হয়েছিল।" এত বড় একটি দলের জন্য খাবার প্রস্তুত করা এবং বিচারকদের মন জয় করা বেশ বড় একটি কাজের ছিল।
এই দীর্ঘ ও কঠিন যাত্রায় পরিবার থেকে তিনি দারুণ অনুপ্রেরণা পেয়েছেন। বিশেষ করে প্রতিযোগিতার সময়ে তাঁর সন্তান তাঁকে উৎসাহ দিয়ে বলেছিল, "মা, তুমি ভালোমতো রান্না করো।" সন্তানের এই সরল ও আন্তরিক অনুপ্রেরণাই তাঁকে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে বলে জানা যায়।
প্রতিযোগিতার বিভিন্ন পর্বে সাবিনা খান তাঁর রন্ধননৈপুণ্যের স্বাক্ষর রাখেন। বিশেষ করে তিনি তাঁর তৈরি ‘সালাদ অব হারমোনি’র জন্য বিচারক ও খাদ্যসমালোচকদের কাছ থেকে বিশেষ প্রশংসা অর্জন করতে সক্ষম হন। তাঁর এই খাবারটি বিচারকদের মন জয় করেছিল।
যুক্তরাজ্যে সাবিনা খানের কার্যক্রম কেবল এই রিয়েলিটি শোতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। তাঁর রান্নার নানা আয়োজনের মধ্যে সাপার ক্লাবের কথাও জানা যায়। এই সাপার ক্লাবে সাধারণত ১২ থেকে ২৫ জন অতিথি আসেন এবং সেখানে অংশ নেওয়া প্রত্যেক অতিথির খাবারের জন্য খরচ পড়ে প্রায় ৭০ পাউন্ড।
যুক্তরাজ্যের রান্না বিষয়ক এই জনপ্রিয় প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করার পর সাবিনা খান ১৮ আগস্ট দেশে ফেরেন। ‘মাস্টারশেফ ইউকে’র ২২তম আসরে তাঁর এই সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছানো এবং ‘সালাদ অব হারমোনি’ দিয়ে বিচারকদের প্রশংসা পাওয়ার ঘটনাটি রন্ধনশিল্পের দুনিয়ায় এক উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।








