মার্কিন কর্মকর্তার তেল চালান দাবির কড়া জবাব দিলেন গালিবাফ
কৌশলগত জলপথ দিয়ে তেল চালান সম্পর্কিত মার্কিন কর্মকর্তা স্কট বেসেন্টের দাবির কড়া জবাব দিয়েছেন ইরানি স্পিকার গালিবাফ। লিখিত বিবৃতিতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ ও যুদ্ধের ব্যয়ের বিষয়টি তুলে ধরেন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

কৌশলগত জলপথ দিয়ে তেল চালান সম্পর্কিত মার্কিন কর্মকর্তা স্কট বেসেন্টের দাবির তীব্র জবাব দিয়েছেন ইরানি স্পিকার গালিবাফ। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে স্কট বেসেন্ট ১৩ কোটি ব্যারেল তেল পরিবহন নিয়ে একটি দাবি করেন। এই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ইরানি স্পিকার লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে তার কড়া প্রতিক্রিয়া জানান এবং মার্কিন অর্থনৈতিক সংকটের চিত্র তুলে ধরেন।
লিখিত বিবৃতিতে গালিবাফ মার্কিন কর্মকর্তা স্কট বেসেন্টকে উদ্দেশ করে বলেন, প্রকৃত খতিয়ান জানতে তোমার কর্মীদের মুডি’স-এর প্রতিবেদন দেখতে বলো। ওই প্রতিবেদনে যুদ্ধের খরচ ১৩০ বিলিয়ন ডলারের বেশি দেখানো হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বিবৃতিতে মার্কিন অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছেন ইরানি স্পিকার। তিনি বলেন, একই সঙ্গে জেনে নাও কীভাবে তেলের ফিউচার মার্কেটে তোমার জন্য শর্ট পজিশন নিতে গিয়ে জেন স্ট্রিট এক ধাক্কায় ১৩০ মিলিয়ন ডলারের বেশি পুড়িয়েছে।
মার্কিন আর্থিক খাতের অব্যবস্থাপনা ও বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে গালিবাফ আরও একটি মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, মিথ্যাবাদী, মিথ্যাবাদী, তোমাদের পোশাক পুড়ছে... মিথ্যাবাদী, মিথ্যাবাদী, বন্ডের সুদের হার বাড়ছে।
ইরানি স্পিকারের এই কড়া বক্তব্যের মাধ্যমে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার চলমান কথার লড়াইয়ে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। বিশেষ করে কৌশলগত জলপথ দিয়ে তেল পরিবহন এবং যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতার বিষয়টি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, গালিবাফের এই লিখিত জবাব মার্কিন প্রশাসনের বিভিন্ন মহলের দাবির বিরুদ্ধে ইরানের শক্ত অবস্থানেরই বহিঃপ্রকাশ। বিশেষ করে তেলের বাজার এবং যুদ্ধকালীন ব্যয়ের হিসাব সামনে এনে মার্কিন অর্থনীতিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন তিনি।








