ট্রাম্পের অর্থনৈতিক যুদ্ধ ও কানাডার সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা বন্ধ
ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানের অর্থনীতির বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক যুদ্ধ এবং কানাডার সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা বন্ধের পরিস্থিতি তৈরি করেছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী ইরানের অর্থনীতির বৈশ্বিক নেটওয়ার্কের ওপর প্রবল আক্রমণের ঘোষণা দিয়েছেন। এর প্রতিক্রিয়ায় কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ওয়াশিংটনের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা বন্ধ করেছেন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন এক উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের গৃহীত নীতি ও পদক্ষেপে ইরানের অর্থনীতির বিরুদ্ধে এক প্রকার অর্থনৈতিক যুদ্ধ এবং কানাডার সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা বন্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এএফপি এবং ওয়াশিংটন থেকে প্রাপ্ত তথ It অনুযায়ী, বিশ্ব রাজনীতির এই গুরুত্বপূর্ণ মোড় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
এই সামগ্রিক পরিস্থিতির কেন্দ্রে রয়েছে মার্কিন প্রশাসনের কঠোর অর্থনৈতিক নীতি। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানের অর্থনীতির বৈশ্বিক নেটওয়ার্কের ওপর প্রবল আক্রমণের ঘোষণা দিয়েছেন। বর্তমান ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই ঘোষণা তেহরানের ওপর চাপ আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে মার্কিন এই কঠোর নীতির প্রভাব কেবল মধ্যপ্রাচ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং উত্তর আমেরিকার প্রতিবেশী দেশ কানাডার সঙ্গেও সম্পর্কের অবনতি ঘটিয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সঙ্গে উত্তেজনার জেরে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ওয়াশিংটনের সঙ্গে দেশটির চলমান বাণিজ্য আলোচনা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এই পরিস্থিতিতে কানাডার নেতৃত্ব অত্যন্ত কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। বাণিজ্য আলোচনা বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার সময় মার্ক কার্নি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, অন্য কাউকে আমাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে দেব না। তাঁর এই বক্তব্য কানাডার স্বাধীন নীতি ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার দৃঢ় প্রতিজ্ঞারই বহিঃপ্রকাশ।
অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক এই সংঘাতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ), হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের নীতিনির্ধারক ও বিশ্লেষকদের নজর রয়েছে। বিশেষ করে ম্যাক্স মেইজলিশ, কেনেথ রোগফ, শি জিনপিং এবং ড্রু ডিলকিন্সের মতো আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব ও গবেষকদের সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে এই ঘটনাপ্রবাহ গভীর তাৎপর্য বহন করছে।
মাসুদ পেজেশকিয়ানের নেতৃত্বাধীন ইরানের ওপর মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের এই আক্রমণ এবং কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির নেওয়া পদক্ষেপ বিশ্ব বাণিজ্যে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটন ও অটোয়ার মধ্যকার সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ কীভাবে মোড় নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।








