বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিজ্ঞাপন
ভাড়া বাসা সুন্দর রাখার সহজ ও অস্থায়ী কিছু চমৎকার উপায়
ভাড়া বাসায় স্থায়ী কোনো পরিবর্তন না এনেও অন্দরমহল সুন্দর ও আরামদায়ক করা সম্ভব। ওয়ালপেপার, রাগ, ইনডোর প্ল্যান্ট ও নানা ধরনের কুশন ব্যবহারের মাধ্যমে ঘরের চেনা রূপ সহজেই বদলে ফেলা যায়।
বাংলাদেশে অনেক সময় ভাড়া বাসায় স্থায়ী কোনো পরিবর্তন করার অনুমতি থাকে না। তবে একটু পরিকল্পনা করলে স্থায়ী কোনো পরিবর্তন ছাড়াই কিছু উপায়ে ভাড়া বাড়ির অন্দরকে সুন্দর ও আরামদায়ক করে তোলা সম্ভব। এতে বাড়িওয়ালাদের কোনো নিয়ম ভাঙার বা জামানত হারানোর ঝামেলাও থাকে না।
ভাড়া বাসার ক্ষেত্রে সাধারণ একটি বড় সমস্যা হলো দেওয়ালে নিজের পছন্দমতো রং করার অনুমতি না থাকা। এই সমস্যার চমৎকার সমাধান হলো সহজে খুলে ফেলা যায় এমন ওয়ালপেপার বা স্টিকার ব্যবহার করা। এগুলো দিয়ে খুব সহজেই ঘরের দেওয়ালের চেনা রূপ বদলে ফেলা যায় এবং প্রয়োজন শেষে কোনো দাগ না রেখেই আবার সরিয়ে ফেলা সম্ভব।
দেওয়ালের পাশাপাশি ঘরের মেঝে ও সামগ্রিক আবহ বদলে দিতে রাগ বা পাটি অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারে। মেঝেতে সুন্দর একটি রাগ বা পাটি বিছিয়ে দিলে পুরো ঘরের লুক নিমিষেই পাল্টে যায় এবং এটি ঘরের মধ্যে বাড়তি একটি উষ্ণতার ছোঁয়া নিয়ে আসে।
অন্দরের সাজে সজীবতা আনতে ইনডোর প্ল্যান্ট বা ঘরের ভেতর রাখা যায় এমন গাছ ব্যবহারের জুড়ি নেই। এটি ঘরের চেহারা বদলানোর অন্যতম সহজ এবং প্রাকৃতিক উপায়। ঘরের কোণে বা টেবিলে ছোট ছোট ইনডোর প্ল্যান্ট রাখলে তা পুরো পরিবেশটিকে সতেজ ও প্রাণবন্ত করে তোলে।
খুব সহজেই ঘরের রঙের আবহ পরিবর্তন করতে টেক্সটাইল বা কাপড়ের জিনিসপত্র ব্যবহার করা যেতে পারে। নান্দনিক কুশন, বালিশের কভার, থ্রো বা সুন্দর একটি চাদর দিয়ে ঘরের সামগ্রিক আবহে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা সম্ভব। এই ছোট ছোট পরিবর্তনগুলো ঘরের সৌন্দর্য বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কা অঙ্গরাজ্যে কনাগ্রা ব্র্যান্ডস ৪২৯ ফুট ৫ দশমিক ৪ ইঞ্চির স্লিম জিম তৈরি করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছে। পূর্বের রেকর্ডের তুলনায় এটি ১১৬ ফুট বড়। গিনেস কর্র্তৃপক্ষের বিচারক এটি যাচাই ও পরিমাপ করেছেন।
১৭ সেপ্টেম্বর লন্ডনের অলিম্পিয়া হলে এইচঅ্যান্ডএমের ফ্যাশন শো চলাকালে পশম ব্যবহারের প্রতিবাদ জানান পেটার কর্মীরা। নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের বের করে দিলে শো চলতে থাকে। এর আগে নিউইয়র্কেও কসের শোতে এমন বিক্ষোভ হয়েছিল।
বান্দরবান ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে গতকাল শুক্রবার পোহ-চগ্রু সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। ১১টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সামগ্রী ও লোকজ জ্ঞান নিয়ে আয়োজিত এই প্রদর্শনী আগামীকাল রোববার পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।