ভারী বর্ষণ ও জোয়ারের পনিতে চট্টগ্রাম নগরজুড়ে তীব্র জলাবদ্ধতা
ভারী বর্ষণ ও জোয়ারের পানির চাপে চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ১৮৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

গত ১৬ আগস্ট থেকে ১৮ আগস্ট ২০২৫ তারিখের মধ্যে চট্টগ্রামে ভারী rainfall এবং waterlogging এর ঘটনা ঘটেছে। রোববার থেকে চট্টগ্রামে বৃষ্টি শুরু হয় এবং সোমবার সকাল পর্যন্ত ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকে। এই টানা বর্ষণের ফলে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন নিচু এলাকায় পানি জমে যায়।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত চট্টগ্রামে ১৮৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া বিশেষ করে সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত মাত্র তিন ঘণ্টায় ১০৯ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস। অবিরাম এই বর্ষণের কারণে নগরের সাধারণ মানুষের চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।
ভারী বর্ষণের এই সময়ে নগরের কাতালগঞ্জ, পাঁচলাইশ, মুরাদপুর, চকবাজার, আগ্রাবাদসহ বিভিন্ন এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। পানি জমে যাওয়ায় এসব এলাকার বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েন। অনেক সড়কে যান চলাচল বিঘ্নিত হয় এবং সাধারণ পথচারীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।
পরিস্থিতি নিয়ে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী জানিয়েছেন, সকালে ভারী বৃষ্টির সঙ্গে জোয়ারের পানির চাপও ছিল। এ কারণে কিছু এলাকায় পানি জমেছে। পানি নিষ্কাশনে সিটি করপোরেশনের কর্মীরা কাজ করছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে জলাবদ্ধতা নিরסনে সরকারের পক্ষ থেকে বড় অংকের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে ১৪ হাজার ২৫৭ কোটি টাকা ব্যয়ে চারটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) ও পানি উন্নয়ন বোর্ড। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো এই প্রকল্পগুলোর কাজ এগিয়ে নিচ্ছে।
অন্যদিকে আবহাওয়ার অবনতি হওয়ায় সমুদ্রবন্দরগুলোর জন্য সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় এর প্রভাব নিয়ে সংশ্লিষ্টরা সতর্ক দৃষ্টি রাখছেন।








