ভারতের মহাকাশ কর্মসূচি: অর্থনীতি ও অগ্রগতির নতুন দিগন্ত
ভারতের মহাকাশ অর্থনীতি বর্তমানে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি অর্জন করছে। ড. বিক্রম সারাভাইয়ের দেখানো পথে এবং বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণে এই খাত দ্রুত এগিয়ে চলেছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির উন্নয়ন ও বৈশ্বিক ভূমিকা আজ বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হচ্ছে। ড. বিক্রম সারাভাই ভারতের মহাকাশ ভাবনার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, যা দেশটির আজকের সাফল্যের মূল ভিত্তি। সময়ের পরিক্রমায় ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে।
এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি চন্দ্রযান ৩ চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে সফল সফট ল্যান্ডিং করেছে। এই ঐতিহাসিক অর্জন ভারতের প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকে বিশ্বমঞ্চে আরও দৃঢ় করেছে। মহাকাশ গবেষণার পাশাপাশি বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও ভারত বড় ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
মহাকাশ খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে ২০২০ সালে এই খাত বেসরকারি অংশগ্রহণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। এই নীতিগত পরিবর্তনের ফলে ইন-স্পেস, নিউস্পেস ইন্ডিয়া লিমিটেড, স্কাইরুট অ্যারোস্পেস, পিক্সেল এবং অগ্নিকুল কসমস-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলো মহাকাশ কার্যক্রমে যুক্ত হয়েছে, যা সামগ্রিক খাতটিকে আরও গতিশীল করে তুলেছে।
বর্তমান বিশ্বে মহাকাশ অর্থনীতির আকার বর্তমানে ৬০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩৫ সালের মধ্যে এই খাতের আকার প্রায় ১.৮ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। ভারত তার ক্রমবর্ধমান সক্ষমতা এবং বেসরকারি খাতের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই বৈশ্বিক বাজারে একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করে চলেছে।








