বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিজ্ঞাপন
ভারতের মহাকাশ কর্মসূচি: অর্থনীতি ও অগ্রগতির নতুন দিগন্ত
ভারতের মহাকাশ অর্থনীতি বর্তমানে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি অর্জন করছে। ড. বিক্রম সারাভাইয়ের দেখানো পথে এবং বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণে এই খাত দ্রুত এগিয়ে চলেছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:১২· ১ মিনিট পড়া
বিজ্ঞাপন
ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির উন্নয়ন ও বৈশ্বিক ভূমিকা আজ বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হচ্ছে। ড. বিক্রম সারাভাই ভারতের মহাকাশ ভাবনার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, যা দেশটির আজকের সাফল্যের মূল ভিত্তি। সময়ের পরিক্রমায় ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে।
এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি চন্দ্রযান ৩ চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে সফল সফট ল্যান্ডিং করেছে। এই ঐতিহাসিক অর্জন ভারতের প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকে বিশ্বমঞ্চে আরও দৃঢ় করেছে। মহাকাশ গবেষণার পাশাপাশি বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও ভারত বড় ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
মহাকাশ খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে ২০২০ সালে এই খাত বেসরকারি অংশগ্রহণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। এই নীতিগত পরিবর্তনের ফলে ইন-স্পেস, নিউস্পেস ইন্ডিয়া লিমিটেড, স্কাইরুট অ্যারোস্পেস, পিক্সেল এবং অগ্নিকুল কসমস-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলো মহাকাশ কার্যক্রমে যুক্ত হয়েছে, যা সামগ্রিক খাতটিকে আরও গতিশীল করে তুলেছে।
বর্তমান বিশ্বে মহাকাশ অর্থনীতির আকার বর্তমানে ৬০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩৫ সালের মধ্যে এই খাতের আকার প্রায় ১.৮ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। ভারত তার ক্রমবর্ধমান সক্ষমতা এবং বেসরকারি খাতের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই বৈশ্বিক বাজারে একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করে চলেছে।
বিজ্ঞানীরা রাসায়নিক বিশ্লেষণ করে বিলুপ্ত ডাইনোসর টি-রেক্সের শরীরের তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ৯৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট নির্ধারণ করেছেন। গবেষণার কাজে যুক্তরাষ্ট্রের মন্টানার হেল ক্রিক গঠন এলাকায় পাওয়া জীবাশ্ম ব্যবহার করা হয়।
নাসা পারসিভারেন্স রোভার মঙ্গলে পাঠানোর সময় এর গতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে ভারী বস্তু ফেলে দিয়েছিল। ২০২০ সালের আগের ও পরবর্তী সময়ের তুলনামূলক পর্যালোচনার ভিত্তিতে সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় মঙ্গলের পৃষ্ঠে নতুন পাঁচটি গর্ত তৈরির বিষয়টি উঠে এসেছে।
পারমাণবিক জ্বালানিতে ইউরেনিয়াম-২৩৫ এর পরিমাণ অল্প থাকে এবং নিউট্রন মন্থর করতে গ্রাফাইট বা পানি ব্যবহার করা হয়। ১৯৫৪ সালে রাশিয়ার অবনিনস্কে বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়।