ভারতের নয়াদিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং
১৮তম ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতের নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। টানা সাত বছর পর এটিই তার প্রথম ভারত সফর। সফরকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তার দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

টানা সাত বছর পর ভারতের মাটিতে পা রাখলেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) তিনি ভারতের নয়াদিল্লিতে এসে পৌঁছেছেন। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সফরটি ২৪ ঘণ্টার জন্য নির্ধারিত রয়েছে। দীর্ঘ সাত বছর বিরতির পর এটিই চীনের কোনো শীর্ষ নেতার প্রথম ভারত সফর হিসেবে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে পৌঁছানোর পর থেকেই এই সফরকে কেন্দ্র করে ব্যাপক নিরাপত্তা ও প্রটোকল নেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপ্রধানের যাতায়াতের জন্য চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এয়ার চায়নার একটি বিশেষ রূপান্তর করা বোয়িং ৭৪৭-৮ উড়োজাহাজ ব্যবহার করেছেন। কঠোর নিরাপত্তার চাদরে মোড়া এই সফরে তার সার্বিক সুরক্ষায় প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বর্তমানে নয়াদিল্লির যে হোটেলে অবস্থান করছেন, তার চারপাশের আকাশসীমাকে সম্পূর্ণভাবে 'নো-ফ্লাই জোন' ঘোষণা করা হয়েছে। তার নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে দিল্লি পুলিশ ও ভারত সরকারের সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
চীনা রাষ্ট্রপ্রধানের এই সফরকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় মোতায়েন করা হয়েছে ১৫ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য। এছাড়া আধা-সামরিক বাহিনীর অন্তত ২০০টি বিশেষ কোম্পানি নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত রয়েছে। সার্বিক নজরদারি জোরদার করতে ৭০০টিরও বেশি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং নির্দিষ্ট এলাকায় আরও প্রায় ৫০০টি সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে।
নিরাপত্তা তদারকি ও সমন্বয়ের জন্য মোট পাঁচটি অস্থায়ী নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপন করা হয়েছে। এসব নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ব্রিকস সম্মেলনের এই আসরে আন্তর্জাতিক কূটনীতির নানা বিষয়ের পাশাপাশি দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, এই ২৪ ঘণ্টার এই সফরকালে শনিবার সন্ধ্যায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসার কথা রয়েছে শি জিনপিংয়ের। এই বৈঠকে দুই দেশের শীর্ষ নেতারা দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।








