ভারতের ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে আগামী সেপ্টেম্বর মাসে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নিতে পারেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিমসটেকের বর্তমান চেয়ার হিসেবে বাংলাদেশকে এই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এছাড়া দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নানা বিষয়ের সঙ্গে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুটিও আলোচনায় রয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানান। দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় এই আমন্ত্রণ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এই আমন্ত্রণের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে নানা মহলে আলোচনা চলছে।
এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই সম্মেলনে ব্রিকস জোটের সদস্য দেশগুলোর পাশাপাশি আমন্ত্রিত দেশগুলোর শীর্ষ নেতারা অংশ নেবেন। বিমসটেকের বর্তমান চেয়ার হিসেবে বাংলাদেশকে এই সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু আলোচনার টেবিলে রয়েছে। এর মধ্যে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত ২০১৩ সালের প্রত্যর্পণ চুক্তি অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চেয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য নয়াদিল্লি সফর এবং ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ের পাশাপাশি এই প্রত্যর্পণ ইস্যুটিও গুরুত্ব পেতে পারে। বিশেষ করে ২০১৩ সালের প্রত্যর্পণ চুক্তির বিধান অনুযায়ী শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া নিয়ে দুই দেশের নীতিনির্ধারক মহলে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
বাসস-এর পরিবেশিত তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার বর্তমান কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া জোরদারের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। বিমসটেক চেয়ার হিসেবে বাংলাদেশের ভূমিকা এবং ব্রিকস সম্মেলনে উপস্থিতি আঞ্চলিক রাজনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুসংহত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে, আগামী সেপ্টেম্বর মাসে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। একই সঙ্গে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত অমীমাংসিত বিষয়টি এই সফরের মাধ্যমে নতুন কোনো মোড় নেয় কি না, সেদিকেও সবার নজর রয়েছে।








