বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিজ্ঞাপন
ব্রেস্ট মিল্ক জুয়েলারি: মাতৃত্বের স্মারক তৈরির ট্রেন্ড
মায়ের বুকের দুধ থেকে তৈরি ব্রেস্ট মিল্ক জুয়েলারি এখন বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বিশেষ প্রক্রিয়ায় তৈরি আংটি বা লকেটের দাম ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
মাতৃত্বের সোনালী সময়কে চিরস্মরণীয় করে রাখতে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ব্রেস্ট মিল্ক জুয়েলারি। এটি মূলত মায়ের বুকের দুধ থেকে তৈরি এক ধরণের বিশেষ স্মারক গহনা। বাংলাদেশ এবং বিশ্বজুড়ে এই ব্যতিক্রমী গহনার জনপ্রিয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ানোর দিনগুলোর স্মৃতি ধরে রাখতে অনেক মায়েদের কাছেই এটি এক আবেগঘন ব্যাপার। ভারতের কলকাতার বাসিন্দা ও এক কন্যাসন্তানের মা শ্রেয়া প্রধানের বয়স ৩০ বছর। তিনি নিজের জন্য ব্রেস্ট মিল্ক জুয়েলারি তৈরি করিয়েছেন। নিজের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে শ্রেয়া প্রধান বলেছেন, তার জন্য বুকের দুধ খাওয়ানোর সময়টা সহজ ছিল না। তবে সেই সময়ের কষ্টের পাশাপাশি ছিল গভীর আনন্দও।
এই বিশেষ গহনা তৈরির একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া রয়েছে। প্রথমে বুকের দুধের জলীয় অংশ কমিয়ে, শুকিয়ে গুঁড়ো করা হয়। এরপর সেই গুঁড়ো বিশেষ রেজিনের সঙ্গে মিশিয়ে আংটি, লকেট, দুল বা ব্রেসলেট তৈরি করা হয়।
বর্তমানে বাংলাদেশেও এই ট্রেন্ডের ছোঁয়া লেগেছে। দেশের বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি উদ্যোক্তা ব্রেস্ট মিল্ক জুয়েলারি তৈরি করছেন এবং অনলাইনে তা বিক্রি করছেন।
সাধারণ মানুষের সাধ্যের কথা মাথায় রেখেই এই গহনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এই ব্রেস্ট মিল্ক জুয়েলারির দাম প্রায় ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কা অঙ্গরাজ্যে কনাগ্রা ব্র্যান্ডস ৪২৯ ফুট ৫ দশমিক ৪ ইঞ্চির স্লিম জিম তৈরি করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছে। পূর্বের রেকর্ডের তুলনায় এটি ১১৬ ফুট বড়। গিনেস কর্র্তৃপক্ষের বিচারক এটি যাচাই ও পরিমাপ করেছেন।
১৭ সেপ্টেম্বর লন্ডনের অলিম্পিয়া হলে এইচঅ্যান্ডএমের ফ্যাশন শো চলাকালে পশম ব্যবহারের প্রতিবাদ জানান পেটার কর্মীরা। নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের বের করে দিলে শো চলতে থাকে। এর আগে নিউইয়র্কেও কসের শোতে এমন বিক্ষোভ হয়েছিল।
বান্দরবান ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে গতকাল শুক্রবার পোহ-চগ্রু সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। ১১টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সামগ্রী ও লোকজ জ্ঞান নিয়ে আয়োজিত এই প্রদর্শনী আগামীকাল রোববার পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।