বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিজ্ঞাপন
বিশ্ববিদ্যালয় যাতায়াত ও বড় বোন তরুর সঙ্গে এক অদ্ভুত স্মৃতি
বড় বোন তরুর এক বছর পর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলেন বর্ণনাকারী। শুরুতে দুজনে রিকশায় একসঙ্গে যাতায়াত করলেও পরে বাবার কাছে ক্লাস ১০টায় শুরু হওয়ার কথা বলে সেই যাতায়াত বন্ধ করা হয়।
জীবনের প্রতিটি ধাপে বড় ভাইবোনদের পথ ধরে চলা এক চিরন্তন দৃশ্য। শিক্ষাজীবনের এমন এক অধ্যায়ে বড় বোন তরুর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় যাতায়াতের স্মৃতি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। কোনো নির্দিষ্ট তারিখ বা স্থান উল্লেখ না থাকলেও এই যাতায়াত কেন্দ্র করে পরিবারের ভেতরের একটি ছোট্র সিদ্ধান্ত বড় একটি পরিবর্তনের সূচনা করেছিল।
বাস্তবতার খাতিরে ভাইবোনের একসঙ্গে পথচলা সবসময় একভাবে টেকে না। বর্ণনাকারী যখন উচ্চশিক্ষার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পা রাখলেন, তখন সময়ের হিসেবে একটি ব্যবধান ছিল। জানা যায় যে, বর্ণনাকারী তার বড় বোন তরুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ঠিক এক বছর পর নিজে সেখানে পড়াশোনা শুরু করেছিলেন।
শিক্ষাজীবনের সেই শুরুর দিনগুলোতে ভাইবোনের যাতায়াতের মাধ্যমটি ছিল বেশ ঐতিহ্যবাহী ও সাবলীল। তথ্যে প্রকাশ পায় যে, বর্ণনাকারী এবং তরু এই বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শুরুর প্রাথমিক দিনগুলোতে প্রতিদিন একসঙ্গে রিকশায় চড়ে যাতায়াত করতেন। রিকশার সেই গতি আর পথচলা তাদের পারস্পরিক সম্পর্কেরও এক সুন্দর অংশ ছিল।
তবে এই যৌথ যাতায়াত সবসময় স্থায়ী হয়নি এবং এর পেছনে একটি কৌশলগত কারণও কাজ করেছিল। বর্ণনাকারী একপর্যায়ে নিজের যাতায়াতের এই নিয়মিত রুটিনটি বদলানোর সিদ্ধান্ত নেন। এই পরিবর্তনের নেপথ্যে মূল ভূমিকা পালন করেছিল তাদের পরিবার ও সময়ের হিসাব।
পরিস্থিতি যখন বদলাতে শুরু করে, তখন বর্ণনাকারী সরাসরি বাবার শরণাপন্ন হন। তিনি বাবার কাছে গিয়ে সুনির্দিষ্টভাবে জানান যে তার ক্লাস সকাল ১০টায় শুরু হয়। এই তথ্যের ভিত্তিতেই বড় বোন তরুর সঙ্গে একসঙ্গে রিকশায় যাতায়াত করার চিরচেনা অভ্যাসটি তিনি চিরতরে বন্ধ করে দেন।
যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কা অঙ্গরাজ্যে কনাগ্রা ব্র্যান্ডস ৪২৯ ফুট ৫ দশমিক ৪ ইঞ্চির স্লিম জিম তৈরি করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছে। পূর্বের রেকর্ডের তুলনায় এটি ১১৬ ফুট বড়। গিনেস কর্র্তৃপক্ষের বিচারক এটি যাচাই ও পরিমাপ করেছেন।
১৭ সেপ্টেম্বর লন্ডনের অলিম্পিয়া হলে এইচঅ্যান্ডএমের ফ্যাশন শো চলাকালে পশম ব্যবহারের প্রতিবাদ জানান পেটার কর্মীরা। নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের বের করে দিলে শো চলতে থাকে। এর আগে নিউইয়র্কেও কসের শোতে এমন বিক্ষোভ হয়েছিল।
বান্দরবান ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে গতকাল শুক্রবার পোহ-চগ্রু সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। ১১টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সামগ্রী ও লোকজ জ্ঞান নিয়ে আয়োজিত এই প্রদর্শনী আগামীকাল রোববার পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।